সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের উপহারে বোমা পাঠিয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ড। ঘটনার সাত বছর পর মূল অভিযুক্তকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল ওড়িশার আদালত। পাশপাশি, তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
২০০৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ভয়ংঙ্কর এই ঘটনায় কেঁপে ওঠে ওড়িশার পাটনাগড়। সেখানকার বাসিন্দা বছর ছাব্বিশের শেখর সাহুর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন রিমা। স্ত্রীকে নিয়ে সুখের সংসারের স্বপ্ন দেখেছিলেন শেখর। কিন্তু নিমিষেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় সেই স্বপ্ন। ১৩ ফেব্রুয়ারির সকালে তাঁদের বাড়িতে একটি পার্সেল আসে। বিয়ের উপহার ভেবে সেটা খুলতেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শেখর এবং তাঁর ঠাকুমার। গুরুতর আহত হন রিমা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, এই গোটা ঘটনার নেপথ্যে রয়েছেন পুঞ্জিলাল মেহের নামে এক যুবক। কিন্তু কে এই পুঞ্জিলাল? কেনই বা তিনি এই কাণ্ড ঘটালেন? জানা গিয়েছে, পুঞ্জিলাল একটি কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন। কিন্তু কোনও কারণে তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরিবর্তে সেখানে বসেন শেখরের মা সংযুক্তা। এই ঘটনার পর থেকেই পুঞ্জিলালের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। পরিকল্পনা করেন সংযুক্তার গোটা পরিবারকে শেষ করে দেবেন। সেই মতো ইন্টারনেটের সাহায্যে তিনি বোমা বানিয়ে সংযুক্তার বাড়িতে পাঠায়। গোটা ঘটনাটি পরিষ্কার হতেই পুলিশ পুঞ্জিলালকে গ্রেপ্তার করে। অবশেষে সাত বছর ধরে মামলাটি চলার পর বুধবার তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত।
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য