রেড ফোর্ট চত্বরে বিস্ফোরণের ঘা এখনও শুকোয়নি। এর মধ্যেই রাজধানীতে নতুন করে বড়সড় নাশকতার ছক। যদিও দিল্লি পুলিশের তৎপরতায় ভেস্তে গেল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের ভয়ংকর চক্রান্ত। পাক চর শাহজাদ ভাট্টির দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মঙ্গলবার। এদের কাজে লাগিয়ে দিল্লি এনসিআর এলাকায় গ্রেনেড হামলা এবং ‘খতম তালিকা’ ধরে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের হত্যার চক্রান্ত ছিল বলে জানা গিয়েছে।
মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২১ বছরের রাজবীর এবং ১৯ বছরের বিবেক বঞ্জারাকে। এদের জিজ্ঞাসাবাদের পর পরবর্তী পদক্ষেপ করবে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত মাসে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সন্দেহভাজনদের উপর নজর রাখছিলেন তদন্তকারীরা। গ্রেনেড হামলা এবং খতম তালিকা ধরে হত্যাকাণ্ডের ছকও জানতে পারে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
এর পর ১৬ এপ্রিল গোয়ালিয়র থেকে বাঞ্জারাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযুক্তের পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। অন্যদিকে ১৮ এপ্রিল দিল্লির সরাই কালে খান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজবীরকে। এই অভিযানে দু’টি পিস্তল, ছ’টি কার্তুজ এবং দু’টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। ওই ফোনে একাধিক সন্দেহজনক ভিডিও এবং ভয়েস মেসেজ মিলেছে। যা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে, সোশাল মিডিয়া মারফত রাজবীরকে মগজধোলাই দেওয়া হয়। এর পর তাকে নিয়োগ করে শাহজাদ ভাট্টির ঘনিষ্ঠ রানা ভাই নামের এক ব্যক্তি। রানার নির্দেশে ফরিদকোট থেকে পিস্তল ও কার্তুজ সংগ্রহ করে রাজবীর। দিল্লি ফিরে হত্যাকাণ্ড চালানোর আগেই ১৮ এপ্রিল গ্রেপ্তার হয় সে। দু’জন আএসআইয়ের চরকে গ্রেপ্তারির পাশাপাশি পাক মদতপুষ্ট অস্ত্র পাচারকারী একটি চক্রের পর্দাফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। ওই ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
এসআইআর করে ‘ভোট লুট’, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবি, এবার প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ‘ইন্ডিয়া’র!
-
সরকারি জমি দখল করে তৃণমূলের অফিস! বুলডোজারের ভয়ে দেওয়াল থেকে ‘ভ্যানিশ’ মমতার ছবি
-
ঋতব্রত নাকি শোভনদেব, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা কে? জল গড়াল হাই কোর্টে
-
আজই কলকাতায় পুরসভায় প্রশাসক, কাউন্সিলরদের হাতেই থাকছে সার্টিফিকেট জারির ক্ষমতা
-
মুখে হাসি মধ্যবিত্তের, এক ধাক্কায় অনেকটা কমল সোনার দাম, তবে বড় পতন শেয়ার বাজারে