Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Asaduddin Owaisi

‘আমাদের ধর্ম নিয়ে কথা বলার বিচারপতি কে?’ হিজাবে নিষেধাজ্ঞায় ফুঁসে উঠলেন ওয়েইসি

ওয়েইসির মতে, এলাহাবাদ হাই কোর্টের নির্দেশ সংবিধানের ১৯ (মত প্রকাশের স্বাধীনতা) এবং ২৫ (ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার) অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৫:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৬, ২০২৬, ১৫:১৮

options
link
‘আমাদের ধর্ম নিয়ে কথা বলার বিচারপতি কে?’ হিজাবে নিষেধাজ্ঞায় ফুঁসে উঠলেন ওয়েইসি zoom
মিম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। ফাইল ছবি
Advertisement

‘ধর্ম আমাদের। আমরা বুঝব। আদালত কে, এই বিষয়ে কথা বলার।’ হিজাব ইস্যুতে এলাহাবাদ হাই কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশের পালটা এমনটাই জানালেন মিম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। তাঁর দাবি, ‘ধর্ম বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার হলে আমরা নেব। বিচারপতি কে?’ সাংসদের এহেন মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।

স্কুলের ইউনিফর্মের সঙ্গে হিজাব পরার অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল এক স্কুলপড়ুয়া। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে উচ্চ আদালত (High Court on Hijab)। এলাহাবাদ হাই কোর্টে দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানায়, ‘হিজাব পরাটা ইসলাম ধর্মে বাধ্যতামূলক কোনও বিষয় নয়। স্রেফ ধর্ম পালনে স্বাধীনতার যুক্তি দেখিয়ে স্কুল ইউনিফর্মের গুরুত্বকে খাটো করা যায় না।’ আদালতের এই নির্দেশ সামনে আসতেই মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। আদালতের রায়ের সমালোচনা করে ওয়েইসি বলেন, ”এটা আমাদের ধর্ম। আমাদের যা প্রয়োজন, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত আমরাই নেব। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিচারপতি কে? এটি আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর সরাসরি আক্রমণ।”

Advertisement

সাংসদের কথায়, “মেয়েরা হিজাব মাথায় পরে, মনে নয়। সমতার অর্থ এই নয় যে সবার উপর একই নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া হবে।”

ওয়েইসির মতে, এলাহাবাদ হাই কোর্টের নির্দেশ সংবিধানের ১৯ (মত প্রকাশের স্বাধীনতা) এবং ২৫ (ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার) অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন। ধর্মীয় আচার পালনের বিষয়টি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। শবরীমালা মামলার বিষয়টি মাথায় রেখে হাই কোর্টের এই বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকা উচিত ছিল। শুধু তাই নয়, আদালতের সিদ্ধান্ত মুসলিম মহিলাদের শিক্ষায় খারাপ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন ওয়েইসি। তিনি বলেন, স্কুল শিক্ষায় উত্তরপ্রদেশে মুসলিম মহিলাদের ভর্তির হার গোটা দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম। সেখানে এই ধরনের সিদ্ধান্ত খারাপ প্রভাব ফেলবে। সাংসদের কথায়, “মেয়েরা হিজাব মাথায় পরে, মনে নয়। সমতার অর্থ এই নয় যে সবার উপর একই নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, এলাহাবাদ হাই কোর্টে পড়ুয়ার আবেদন ছিল, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ওই স্কুলেই ইউনিফর্মের সঙ্গে হিজাব পরত সে। তখন স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও আপত্তি করেননি। কিন্তু একাদশ শ্রেণি থেকে শুরু হয় সমস্যা। তারপরেই ওই পড়ুয়া আদালতের দ্বারস্থ হয়। তার আবেদন, ধর্মপালনের স্বাধীনতা রয়েছে প্রত্যেক মানুষেরই। তাই ধর্মীয় বিশ্বাসের অঙ্গ হিসাবে হিজাব পরে স্কুলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, যে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শৃঙ্খলা এবং পোশাক বিধির অধিকার রয়েছে। কোনও শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত পছন্দের ভিত্তিতে পোশাক বিধি পরিবর্তনের দাবি করতে পারে না। হাইকোর্ট জানায়, বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে হিজাব পরা যে ইসলামের একটি অপরিহার্য ধর্মীয় প্রথা, এমন কোনও ধর্মীয় প্রমাণ নেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.