Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
No-Trust Motion

স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব বিরোধীদের, কংগ্রেস ‘শর্ত’ না মানায় সই করল না তৃণমূল

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিরোধী শিবিরের ১২০ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছেন। তাতে কংগ্রেসের পাশাপাশি ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরাও সই করেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ১৬:৫১

options
link
স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব বিরোধীদের, কংগ্রেস ‘শর্ত’ না মানায় সই করল না তৃণমূল zoom
সংসদে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা বিরোধীদের। ফাইল ছবি।

পক্ষপাতমূলক আচরণের জবাব দিতে লোকসভায় স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দিল কংগ্রেস। সেই অনাস্থা প্রস্তাবে ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টির মতো ইন্ডিয়া জোটভুক্ত দলগুলি সই করেছে। তবে কংগ্রেস পূর্বপ্রদত্ত শর্ত না মানায় সই করেননি তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ।

গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপর শারীরিক হামলার আশঙ্কায় অধিবেশন মুলতুবি করে দেন স্পিকার ওম বিড়লা। বিষয়টিকে মোটেই ভালোভাবে নেয়নি কংগ্রেস-সহ দেশের বিরোধী দলগুলি। তাছাড়া চলতি বাজেট অধিবেশনে একাধিকবার রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী সাংসদদের বলতে দেওয়া হয়নি। সব মিলিয়ে শাসকের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে এনে ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস। নিয়ম অনুযায়ী, সংবিধানের ৯৪(সি) ধারায় লোকসভার স্পিকারকে অপসারণ সরানো যেতে পারে। সেজন্য ভোটাভুটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হয়। আবার সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, প্রস্তাবের অন্তত ১৪ দিন আগে ওই নোটিস দিতে হয়। যার অর্থ বাজেট অধিবেশনের প্রথম অংশে ওই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা নেই। তবে লোকসভার সচিবালয় জানিয়েছে, প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দেখা হবে সেটা গ্রহণযোগ্য কিনা।

Advertisement

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিরোধী শিবিরের ১২০ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছেন। তাতে কংগ্রেসের পাশাপাশি ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরাও সই করেছেন। তৃণমূল অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, কংগ্রেস শর্ত না মানলে ওই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করবে না তারা। দলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন দুপুরেই স্পষ্ট করে দেন, স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবে সই করতে তৃণমূলের কোনও আপত্তি নেই। তবে এই প্রস্তাব আনার আগে চারটি দাবি উল্লেখ করে স্পিকারকে চিঠি দিক বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। যেখানে যে চারটি বিষয়কে মাথায় রেখে এই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি লিখিত আকারে দেওয়া হোক। এই বিষয়ে সদুত্তর দিতে স্পিকারকে ২-৩ দিন সময় দেওয়া হোক। নাহলে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হোক।”

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, বিরোধী শিবিরের ১২০ জন সাংসদ স্বাক্ষর করেছেন। তাতে কংগ্রেসের পাশাপাশি ডিএমকে এবং সমাজবাদী পার্টির সাংসদরাও সই করেছেন। তৃণমূল অবশ্য আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, কংগ্রেস শর্ত না মানলে ওই অনাস্থা প্রস্তাবে সই করবে না তাঁরা।

একইসঙ্গে কংগ্রেস যদি তাড়াহুড়ো করে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে চায়, তাতে তৃণমূল যে সই করবে না তাও স্পষ্ট করে দেন অভিষেক। বস্তুত, রাজ্যের শাসকদলের দীর্ঘদিনের বক্তব্য, বিজেপি বিরোধিতার ক্ষেত্রে তৃণমূল কোনওরকম আপস করবে না। তবে একই সঙ্গে কংগ্রেসের দাদাগিরিও মেনে নেওয়া হবে না। তৃণমূল কীভাবে প্রতিবাদ করবে, সেটা কংগ্রেস ঠিক করতে পারে না। তাছাড়া, বিজেপির সঙ্গে তৃণমূলের যে পার্থক্য আছে তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘‘এটাই তো নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আমাদের পার্থক্য। ভুল করলে তাঁকে সুযোগ তো দিতে হবে।’’ বস্তুত, চলতি বাজেট অধিবেশনে একাধিক ইস্যুতে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সেই সখ্য চোখে পড়ছে না! বিশেষ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট আনার ক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীর চুপ থাকা মোটেই ভালো চোখে নেয়নি তৃণমূল! পালটা হিসাবে এবার সচেতনভাবেই স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করা হচ্ছে? অন্তত প্রাথমিকভাবে তেমনটাই মনে হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.