Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Bombay High Court

মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্রই বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি! নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের

বিচারব্যবস্থার গেরুয়াকরণ, অভিযোগ করছে বিরোধীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৫, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৫, ১৪:৫২

options
link
মহারাষ্ট্র বিজেপির প্রাক্তন মুখপাত্রই বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি! নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরোধী দলগুলি বিভিন্ন সময় দাবি করেছে, বিচারব্যবস্থার গেরুয়াকরণ করতে চাইছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি। সেই বিতর্কের মধ্যেই বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি হলেন আইনজীবী আরতি অরুণ শাঠে। যিনি বছর দুয়েক আগেই মহারাষ্ট্র বিজেপির মুখপাত্র এবং দলের আইন সেলের প্রধান ছিলেন।

গত ২৮ জুলাই বম্বে হাই কোর্টে তিনজন আইনজীবীকে (অজিত ভগবানরাও কাদেথাঙ্কর, সুশীল মনোহর ঘোডেশ্বর এবং আরতি অরুণ শাঠে) বিচারপতি হিসাবে নিয়োগ করেছে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম। তাঁদের মধ্যে অন্যতম আরতি অরুণ শাঠেকে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দলীয় মুখপাত্র হিসাবে নির্বাচন করে মহারাষ্ট্র বিজেপি। ব্যক্তিগত এবং পেশার কারণ দেখিয়ে ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে বিজেপি মুখপাত্রের পদ ছাড়েন আরতি। মোটামুটি একই সময়ে আইন সেলের প্রধানের পদ এবং দলীয় সদস্য পদও ছাড়েন তিনি।

Advertisement

আরতি নিজে মহারাষ্ট্র বিজেপির মুখপাত্র ছিলেন তো বটেই, তাঁর বাবাও একই হাই কোর্টের আইনজীবী এবং বিজেপি ও আরএসএসের সঙ্গে যুক্ত। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, আরতির দলীয় পদ ছাড়া কি গেরুয়া কৌশল ছিল? যাতে করে তাঁকে বিচারপতি পদে আনতে সরাসরি বাঁধা না থাকে! যদিও আরতির যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না তারা। বিরোধী দলগুলির বক্তব্য, কিছুদিন আগেও যিনি শাসক দলের মুখপাত্র ছিলেন, তাঁকে বিচারপতির পদে বসিয়ে বিচারব্যস্থাকে কলুষিত করা হচ্ছে।

আরতির নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলে মঙ্গলবার এনসিপি বিধায়ক রোহিত পওয়ার মন্তব্য করেন, একজন ব্যক্তি যিনি সরকারি মঞ্চ থেকে ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে কথা বলেন, তাঁকে বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত করা গণতন্ত্রের উপর বড়সড় আঘাত… বিচারক একটি অত্যন্ত দায়িত্বশীল পদ যা নিরপেক্ষ হওয়া উচিত।” এনসিপির নেতার বক্তব্য সমর্থন করেছে কংগ্রেস এবং শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবির। আরতির নিয়োগ প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেসও। ফেসবুক পোস্টে তৃণমূলের প্রশ্ন, “এরপরেও যদি কেউ বিচারব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাকে কি আদালত অবমাননার দায়ে জেলে নিয়ে যাওয়া হবে?” মহারাষ্ট্র বিজেপি অবশ্য পওয়ারের দাবি মানতে রাজি নয়। তাদের বক্তব্য, ভিত্তিহীন দাবি করেছেন এনসিপি নেতা। যোগ্যতার বিচারে বিচার বিভাগীয় অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াতেই আরতি অরুণ শাঠে বম্বে হাই কোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হয়েছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.