সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তীর্থক্ষেত্র পুরীর পবিত্রতা রক্ষায় এবার বড় পদক্ষেপ বিজেপি সরকারের। রবিবার সরকারের তরফে ঘোষণা করা হল ১২ শতাব্দীর প্রাচীন শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ২ কিলোমিটার এলাকায় মদ ও আমিষ বিক্রি করা যাবে না। বর্তমানে ওই এলাকাতে যে সব পানশালা রয়েছে সেগুলিতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। দেশের বিভিন্ন অংশ থেকে এখানে আসা ভক্তদের কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে সরকার।
রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ওড়িশার আইনমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ হরিচন্দন। তিনি বলেন, “জগন্নাথ মন্দিরের ২ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে কোনও রকম আমিষ খাবার ও মদ বিক্রি করা যাবে না। এমনকী ওই সীমানার মধ্যে থাকা সমস্ত বারগুলির উপর জারি থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, ”জগন্নাথ মন্দির থেকে গুন্ডিচা মন্দিরের সংযোগকারী ২.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ গ্যান্ড রোডের (বড় ডান্ডা) উপরও কোনও মদের দোকান বা আমিষ বিক্রি করা যাবে না।”
মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝির মন্ত্রিসভার সদস্য পৃথ্বীরাজ বলেন, আমরা পুরীকে ঢেলে সাজাতে চাই। একটি ধর্মীয় শহর হিসেবে গড়ে তোলা হবে পুরীকে। সেই লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনাও রয়েছে। বড় ডান্ডা রাস্তার দুপাশে যে সব ভবন রয়েছে সেইগুলি একই উচ্চতায় এনে একইরকম নকশায় সাজানো হবে। এমনকী যেসব বেসরকারি বাড়ি রয়েছে তার মালিকদের সঙ্গেও এই বিষয়ে কথা বলব আমরা। ওই পবিত্র করিডোরের উন্নতির লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যেই নগরোন্নয়ন বিভাগের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, অন্যান্য সমুদ্রতটের মতোই সমুদ্র ঘেঁষা পুরীর মন্দির সংলগ্ন এলাকায় এতদিন মদ, মাংস ও মাছের বিপুল সম্ভার দেখা যেন। মন্ত্রীর দাবি, এই ঘটনায় বারবার অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এখানে আসা পুণ্যার্থীরা। যদিও পুণ্যার্থীদের সেই দাবিকে এতদিন গুরুত্ব দেয়নি সরকার। এবার মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষা করতেই এই পদক্ষেপ বলে দাবি করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
ফিরল স্বর্ণ মন্দিরের বিভিষীকা! অস্ত্রশস্ত্র হাতে গুরুদ্বার ‘দখল’ নিহাঙ্গ শিখদের, পণবন্দি পুণ্যার্থী
-
রাজ্যে স্পোর্টস বিশ্ববিদ্যালয়, নয়া স্টেডিয়াম পাবে উত্তরবঙ্গ, বাজেটে ক্রীড়াক্ষেত্রে বিপুল বরাদ্দ
-
চিনে অভ্যর্থনা জানাল রোবট, ছবি আর নাচগানে ড্রাগনের দেশ মাতাচ্ছে বাঙালিরাই
-
স্বপনের বাজেটে নতুন পাঁচ জেলা গঠনের প্রস্তাব, তৈরি হবে ৭ পুরসভাও, উপকৃত হবেন আমজনতা
-
রণবীর-আলিয়ার সিনেমার সেটে মর্মান্তিক মৃত্যু, বনশালির থেকে ৫০ লক্ষ ক্ষতিপূরণ দাবি ফিল্ম সংগঠনের