সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাসপাতালের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল নার্সের নিথর দেহ! রবিবার উত্তরপ্রদেশের কানপুরের হাসপাতালে ঘটেছে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, আত্মহত্যা করেছেন ওই নার্স। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কানপুর পুলিশ। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের কর্মীরাও যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছেন।
জানা যাচ্ছে, ২১ বছর বয়সী ওই মৃত নার্সের নাম চাঁদনি। তিনি বিহারের সিওয়ান জেলার বাসিন্দা ছিলেন। গত এক মাস ধরে কানপুরের লাজপত নগরের একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ওই নার্স দীর্ঘ ছয় বছর ধরে রাওয়াতপুরে লক্ষ্মী গুপ্তা নামে এক মহিলার পরিবারের সঙ্গে থাকতেন।
নার্সের সহকর্মীরা জানাচ্ছেন, শনিবার রাতে চাঁদনি হাসপাতালে ডিউটি করছিলেন। তবে রবিবার সকালে শিফট পরিবর্তনের সময় তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। সহকর্মীরা হাসপাতাল জুড়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। হাসপাতালের তৃতীয় তলায় একটি প্রাইভেট রুমের বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। দরজা ভেঙে ঢুকে তাঁরা মেঝেতে চাঁদনির নিথর দেহ দেখতে পান। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু ওষুধ পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেহে বিষ প্রয়োগ করে ওই নার্স আত্মঘাতী হয়েছেন। ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য দেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে ওই নার্স আত্মহত্য়া করতে পারেন, তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হবে।
যদিও কর্মস্থলে নার্সের আত্মহত্যা নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চাঁদনির হাসপাতালের সহকর্মীরা নিরাপত্তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত। সকলের নজর এড়িয়ে ডিউটি চলাকালীন কিভাবে আত্মঘাতী হলেন তাঁদের সহকর্মী, তা ভেবেই পাচ্ছেন না তাঁরা। বহু কর্মী সেদিন হাসপাতালে ডিউটি করছিলেন। তাঁরা কি খেয়ালই করেনি চাঁদনি হঠাৎ উধাও হয়ে গেল কি করে ! উঠছে প্রশ্ন।