Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
India Attack on Pakistan

অপারেশন সিঁদুরের পরেই গান্ধীর শান্তির বাণী পোস্ট, বিতর্ক হতেই মুছল কংগ্রেস

এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে কী লিখেছিল কংগ্রেস?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৫, ০০:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৫, ০০:২৩

options
link
অপারেশন সিঁদুরের পরেই গান্ধীর শান্তির বাণী পোস্ট, বিতর্ক হতেই মুছল কংগ্রেস zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও হামলার ঠিক দুই সপ্তাহের মাথায় মঙ্গলবার মধ্যরাতে বদলা নিয়েছে ভারত (India)। পাকিস্তান (Pakistan) ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয় জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা (Attack) চালিয়েছে ভারতীয় সেনা। হামলায় অন্তত ৮০ জন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে! লস্কর, জইশের একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পরেই কর্নাটক কংগ্রসের এক্স হ্যান্ডেলে দেখা যায় মহাত্মা গান্ধীর যুদ্ধবিরোধী বাণী। কংগ্রেসের কাণ্ডে তোপ দাগে বিজেপি। তাদের প্রশ্ন, জঙ্গিদের পক্ষে দাঁড়াচ্ছে কংগ্রেস? রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গের জবাবদিহি চায় গেরুয়া শিবির। এরপরেই বিতর্কিত পোস্ট মুছে ফেলা হয়। 

বুধবার কর্নাটক কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেলে মহাত্মা গান্ধীর ছবি দিয়ে তাঁর বাণী লেখা হয়—“মানব সভ্যতার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হল শান্তি।” পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরেই এমন পোস্টে বিতর্ক শুরু হয়। কর্নাটক কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়ন্দ্র বলেন,”কর্ণাটক কংগ্রেসের এই টুইট অবাক করা এবং দুর্ভাগ্যজনক। এই বিষয়ে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে এবং কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়াকে জবাবদিহি করতে হবে। কংগ্রেস কি তাহলে পাকিস্তান এবং জঙ্গিদের সমর্থন করেন?”

Advertisement

কংগ্রেস সরাসরি জবাব না দিলেও বিতর্কিত টুইট মুছে ফেলে। পরে দলের একটি টুইটে পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাতের জন্য ভারতীয় বায়ুসেনার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। কংগ্রেস যে পার্টিলাইন মেনে যুদ্ধের আবহে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে আছে, তাও স্পষ্ট করা হয়। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “অপারেশন সিন্দুর বাস্তবায়িত করেছেন আমাদের যে সশস্ত্র বাহিনী, তাদের অসাধারণ সাহসিকতাকে আমি কুর্নিশ জানাই। তাঁদের বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ আবারও প্রমাণ করল ভারত কখনই কোনও ধরণের সন্ত্রাসকে সহ্য করবে না।”

প্রসঙ্গত, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের সঙ্গী সংগঠন টিআরএফের পাঁচ জঙ্গি। ৭ এপ্রিল রাত একটা পাঁচ থেকে দেড়টার মধ্যে পঁচিশ মিনিটের অপরেশন চালিয়ে বদলা নিয়েছে ভারত। পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সওয়া নাল্লা, সারজাল, মুরিদকে, কোটলি, কোটলি গুলপার, মেহমোন্না জোয়া, ভিমবের এবং ভাওয়ালপুরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। বায়ুসেনার এই অভিযানে অন্তত ৮০-র বেশি জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। পালটা হামলার হুমকি দিয়েছে পাকিস্তান।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.