Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
North Bengal

ভয়াবহ ভূমিধসে বিধ্বস্ত সিকিমের রিম্বি-সিংলিটাম, বিপন্ন বহু পরিবার, চলছে উদ্ধারকাজ

স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ২১:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ২১:৫২

options
link
ভয়াবহ ভূমিধসে বিধ্বস্ত সিকিমের রিম্বি-সিংলিটাম, বিপন্ন বহু পরিবার, চলছে উদ্ধারকাজ zoom
ভয়াবহ ভূমিধসে বিধ্বস্ত সিকিমের রিম্বি-সিংলিটাম।
Advertisement

হুড়মুড়িয়ে ভেঙে নামছে আস্ত পাহাড়! পাথর -মাটিতে তলিয়ে যাচ্ছে একের পর এক জনপদ। এমন ভয়ঙ্কর ভূমিধসে বিপন্ন সিকিমের রিম্বি-সিংলিটামের ৩৮টি পরিবার। চলছে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ।

স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। ভূমিধসের ব্যাপকতা এবং এর সম্ভাব্য গতিপথ নির্ধারণের জন্য একটি কারিগরি সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিকিম প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে ওই ভূমিধস শুরু হয়। সেটা ক্রমশ ছড়িয়ে বিরাট আকার নিয়েছে। রবিবারও পাথরের চাই, মাটি গড়িয়ে নেমেছে বসতি এলাকায়। তলিয়েছে কৃষিজমি। সিকিমের গিয়ালশিং জেলার ইউকসাম মহকুমার অধীন রিম্বি-সিংলিটাম এলাকা। এখানেই শুরু হয়েছে ভয়ঙ্কর ভূমিধসের বিপর্যয়। দেড়শোর বেশি বাসিন্দা বিপদের মুখে পড়েছেন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে ভূমিধস শুরু হয়। হুড়মুড়িয়ে ভেঙে নামে পাহাড়ের একাংশ। এরপর ভূমিধসের এলাকা ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে। ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি তলিয়ে যেতে শুরু করে পাথর, মাটির আস্তরণে। সিকিম প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মধ্যে রিম্বির ৩০টি এবং সিংলিটামের ৮টি পরিবার রয়েছে। পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের জন্য অস্থায়ী আশ্রয় ও ত্রাণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। স্থানীয় বিধায়ক ও মন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। তারা বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন। ভূমিধসের ব্যাপকতা এবং এর সম্ভাব্য গতিপথ নির্ধারণের জন্য একটি কারিগরি সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহকুমা শাসক, বিডিও এবং পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা পরিস্থিতির উপরে নজর রেখেছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.