Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Air India

‘যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না’, এবার আহমেদাবাদে ভেঙে পড়া বিমান নিয়ে দাবি এয়ার ইন্ডিয়া কর্তার

দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টকে হাতিয়ার করে দাবি এয়ার ইন্ডিয়ার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৫, ১৪:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০২৫, ১৪:২৯

options
link
‘যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না’, এবার আহমেদাবাদে ভেঙে পড়া বিমান নিয়ে দাবি এয়ার ইন্ডিয়া কর্তার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে ভেঙে পড়া বিমানে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। উড়ানের আগে বিমানে কোনও ত্রুটি ধরা পড়েনি, সোমবার বিমান বিপর্যয় প্রসঙ্গে এমনটাই দাবি করলেন এয়ার ইন্ডিয়ার সিইও ক্যাম্বেল উইলসন। বলা বাহুল্য, বিমানসংস্থার কর্তার এই দাবি পাইলটের গাফিলতির দিকে আঙুল তুলছে। যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে আগেভাগেই। যেহেতু প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে যে বিমানের জ্বালানির সুইচ বন্ধ করা হয়েছিল। যা মানতে নারাজ পাইলটদের সংগঠন এয়ারলাইন পাইলট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়া (আলপা)।

১২ জুন আহমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছুক্ষণ পরেই মেঘানিনগরে লোকালয়ে ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭-৮ বিমানটি। ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছিল ২৬০ জনের। তাঁদের মধ্যে ২৪১ জন সওয়ার ছিলেন বিমানে। দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে শনিবার। সোমবার উইলসন বলেন, “বোয়িং ড্রিমলাইনারের রক্ষণাবেক্ষণে কোনও সমস্যা ছিল না। নিয়মিত বিমান ও ইঞ্জিনের পরীক্ষা করা হত। টেক অফের আগে বিমানের কোনও সমস্যা ছিল না। ২০২৩-এ এআই-১৭১ বিমানের সবকিছু পরীক্ষা করা হয়েছিল। ২০২৩-এ বিমানের ডান দিকের ইঞ্জিন পরীক্ষা হয়েছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে ড্রিমলাইনারের বাঁ দিকের ইঞ্জিনও পরীক্ষা করে দেখা হয়। আগামী ডিসেম্বরে আবার পরীক্ষা করার কথা ছিল।”

Advertisement

১২ জুন দুর্ঘটনার পর একাধিক প্রশ্ন তুলেছিলেন বিমানযাত্রীরা। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই বিমান বিপর্যয়? খামতি ছিল রক্ষণাবেক্ষণে? কার্যত সেই দাবিকেই এদিন উড়িয়ে দিলেন এয়ার ইন্ডিয়ার কর্তা। এর জন্য তদন্তকারী সংস্থার প্রাথমিক রিপোর্টকেই হাতিয়ার করলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগের মুহূর্তে দুই ইঞ্জিনের জ্বালানিই ‘রান’ (চালু) থেকে কাটঅফ (বন্ধ) মুডে চলে যায়। ইঞ্জিন বন্ধের ঠিক আগের মুহূর্তে একজন পাইলট অপরজনকে বলেন, ‘ইঞ্জিন বন্ধ করলে কেন?’ অপর পাইলট জবাব দেন, ‘আমি কিছু বন্ধ করিনি।’ ইঞ্জিন বন্ধের পর জরুরি ভিত্তিতে RAT (র‍্যাম এয়ার টার্বাইন) চালু করা হয়। এই RAT ইঞ্জিনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়। বিমান ওড়ার সময়ে জ্বালানি ঠিকঠাক ছিল। বিমান ওড়ার সময়ে ফ্ল্যাপ সেটিং এবং গিয়ারের অবস্থাও স্বাভাবিক ছিল। সেগুলি সঠিকভাবে পরীক্ষাও করা হয়। সব মিলিয়ে যা যা প্রাথমিক রিপোর্টে এসেছে তাতে বিমানের যান্ত্রিক গোলযোগের থেকে পাইলটদের ভুলের দিকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। এর ফলেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। মনে করা হচ্ছে ‘গোল্ডেন শ্যাসি’র সাহায্যে বিস্তারিত রিপোর্টে সমস্ত জল্পনার অবসান হতে পারে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.