Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mumbai Watermelon Deaths

দেহে মিলল না ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, তবে তরমুজ খেয়ে পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর নেপথ্যে কী? ঘনাচ্ছে রহস্য

তরমুজ খেয়ে সংক্রমণের তত্ত্ব ক্রমশ জোরালো হচ্ছিল। এমনকী তরমুজ বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে যায় বেশ কয়েকটি এলাকায়। যদিও মুম্বইয়ের এক সরকারি হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, মৃতদের শরীরে কোনও সংক্রমণ মেলেনি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ১৯:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৭, ২০২৬, ১৯:৪০

options
link
দেহে মিলল না ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, তবে তরমুজ খেয়ে পরিবারের ৪ জনের মৃত্যুর নেপথ্যে কী? ঘনাচ্ছে রহস্য zoom

বিরিয়ানির পর তরমুজ খেয়েছিলেন পরিবারের চার সদস্য। এরপরই তাঁরা ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। মনে করা হচ্ছিল, তরমুজ (Watermelon) থেকেই অ্যালার্জি হয়ে ওই অঘটন ঘটে গিয়েছে। কিন্তু দেহে ব্যাকটেরিয়াঘটিত কোনও সংক্রমণের চিহ্ন মিলল না। প্রশ্ন উঠছে, তা হলে কেন মৃত্যু হল? তাহলে কি বিষপ্রয়োগে খুন করা হয়েছে ওই পরিবারের সদস্যদের? মুম্বইয়ে (Mumbai) একই পরিবারের চার জনের মৃত্যুতে (Deaths) রহস্য ঘনাচ্ছে।

মৃতদের নাম আবদুল্লাহ দোখাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসরিন দোখাদিয়া (৩৫) এবং তাঁদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)। ২৫ এপ্রিল রাতে আত্মীয়দের নিজের বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান আবদুল্লাহ। তাঁরা সকলে মিলে বিরিয়ানি খান। তারপর আত্মীয়রা নিজেদের বাড়িতে ফিরে গেলে রাত ১টা নাগাদ স্ত্রী, সন্তানদের নিয়ে তরমুজ খান আবদুল্লাহ। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। ভোর ৫টা নাগাদ তাঁদের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এরপর তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁদের জে জে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

Advertisement

তরমুজ খেয়ে সংক্রমণের তত্ত্ব ক্রমশ জোরালো হচ্ছিল। এমনকী তরমুজ বিক্রি প্রায় বন্ধ হয়ে যায় বেশ কয়েকটি এলাকায়। যদিও মুম্বইয়ের এক সরকারি হাসপাতালের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, মৃতদের শরীরে কোনও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে অন্তর্ঘাত তথা খাবারে বিষ প্রয়োগের তত্ত্বই ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম আগেই দাবি করেছিল, মৃতদের মস্কিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদন্ত্র সবুজ হয়ে গিয়েছিল। সাধারণত কোনও রাসায়নিক থেকেই শরীরে এই লক্ষণ দেখা যায়। যদিও পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেলেই এই বিষয়ে আরও পরিষ্কার ধারণা মিলবে বলে জানান তদন্তকারীরা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.