সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামনেই বিহারের বিধানসভা নির্বাচন। চড়ছে উত্তেজনার পারদ। এরমাঝেই লালু প্রসাদ যাদবকে ঘুরিয়ে খোঁচা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। তিন মিনিটের এই ভিডিওতে জেডিইউ নেতা বলেন, “আগে বিহারি বলে অপমান করা হত, কিন্তু এখন তা গর্বের বিষয়।”
রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, শনিবার বিহারের বাসিন্দাদের জন্য ভিডিও প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। নিজের বার্তায় নীতীশ বলেন, ২০০৫ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি ‘সততা এবং কঠোর পরিশ্রম’ করে মানুষের ‘সেবা’ করেছেন। বিহারের বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানিয়ে নীতীশ কুমার বলেন, “দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আমরা সারাদিন-রাত এক করে পরিশ্রম করেছি, আপনাদের সেবা করেছি।” তাঁর দাবি, ‘মানুষের জন্য কাজ করেছি, পরিবারের জন্য জন্য নয়।’
प्रिय प्रदेशवासियो,
आइए मिलकर बनाएं नया बिहार।@NitishKumar #Bihar #NitishKumar #JDU #JanataDalUnited #25Se30FirSeNitish pic.twitter.com/XxTqqVaWTp
— Janata Dal (United) (@Jduonline) November 1, 2025
বিজেপি-জেডিইউ জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ দাবি করেছেন, তাঁরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, কৃষি এবং তরুণদের জন্য সুযোগ-সুবিধার উন্নতিতে কাজ করেছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, বিহারে নীতীশের মূল ভোটব্যাঙ্ক মহিলারা। সেই ভোটব্যাঙ্ককে অক্ষুন্ন রাখতে তিনি বলেন, আগের সরকার মহিলাদের জন্য কোনও কাজ করেনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁর সময়েই মহিলারা নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে।
বিহারের নির্বাচনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জাতি। জাতি পার্থক্য সরিয়ে রেখে সকলের ভোট পাওয়ার দিকে নজর দিয়েছেন নীতীশ। একই সঙ্গে পরিবারতন্ত্রকে আক্রমণ করেছেন তিনি। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, “হিন্দু, মুসলিম, উচ্চবর্ণ, পিছিয়ে পড়া, দলিত, অথবা মহাদলিত, আমরা সকলের জন্য কাজ করেছি। আমি আমার পরিবারের জন্য কিছুই করিনি।”
সর্বশেষ খবর
-
মশার বিদেশ সফর! বিমানে চেপে জার্মানি পাড়ি দিল মশক, কামড়ে মৃত বিমানবন্দরের কর্মী
-
বিজেপি ও তৃণমূল নেতা ‘মাসতুতো ভাই’, সুকান্তকে নিশানা করে শোকজ গঙ্গারামপুরের বিধায়ক
-
বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ে টিএমসিপির ‘জঙ্গিপনা’, পড়ুয়াদের হস্টেল ছাড়ার নির্দেশ উপাচার্যের
-
সুযোগ পেয়েও এশিয়াডে খেলতে পারবেন না ভারতের সব অ্যাথলিট-সাপোর্ট স্টাফ! জাপানের সিদ্ধান্তে প্রশ্ন
-
বাস পিছু প্রতিদিন ৩০০ টাকা তোলাবাজি ‘বিএমএসের’, ‘কাউকে রেয়াত নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর মন্ত্রীর