Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Red Fort blast

‘মিশন লালকেল্লা’র নেপথ্যে জেহাদি ডাক্তাররা! দিল্লি বিস্ফোরণে ভয়াবহ তথ্য দিল এনআইএ

চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, এই নাশকতার নেপথ্যে ছিল আল-কায়দা ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন 'আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ'। ২০২৫ সালের সেই শক্তিশালী বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হয়েছিলেন বহু মানুষ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৩:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৩:৩৯

options
link
‘মিশন লালকেল্লা’র নেপথ্যে জেহাদি ডাক্তাররা! দিল্লি বিস্ফোরণে ভয়াবহ তথ্য দিল এনআইএ zoom
লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণস্থল। ফাইল ছবি
Advertisement

গত বছর ১০ নভেম্বর রাজধানীর বুকে লালকেল্লার কাছে সেই ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি আজও দগদগে। সেই ভিবিআইইডি বা গাড়ি-বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার বড়সড় পদক্ষেপ করল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ। বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭৫০০ পাতার একটি বিশালাকার চার্জশিট পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, এই নাশকতার নেপথ্যে ছিল আল-কায়দা ঘনিষ্ঠ জঙ্গি সংগঠন ‘আনসার গাজওয়াত-উল-হিন্দ’। ২০২৫ সালের সেই শক্তিশালী বিস্ফোরণে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছিল, আহত হয়েছিলেন বহু মানুষ। ওই ঘটনার তদন্তে নেমে এনআইএ যে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে অভিযুক্তদের মধ্যে অনেকেই উচ্চশিক্ষিত এবং পেশাদার। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, চার্জশিটে নাম থাকা অভিযুক্তরা সকলেই ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দার শাখা সংগঠন এজিইউএইচ-এর সঙ্গে যুক্ত। এই তালিকায় রয়েছেন, আমির রশিদ মীর, জাসির বিলাল ওয়ানি, চিকিৎসক মুজামিল শাকিল, চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাদার, চিকিৎসক শাহিন সাঈদ, মুফতি ইরফান আহমদ ওয়াগে, সোয়েব, চিকিৎসক বিলাল নাসির মাল্লা এবং ইয়াসির আহমদ দার।

Advertisement

বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে ১০ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ৭৫০০ পাতার একটি বিশালাকার চার্জশিট পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন ডাঃ উমর উন নবী। পুলওয়ামার বাসিন্দা উমর ফরিদাবাদের আল-ফালাহ ইউনিভার্সিটির অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ছিলেন। ওই বিস্ফোরণেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরবর্তীকালে ডিএনএ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং-এর মাধ্যমে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করেন তদন্তকারীরা। এনআইএ-র তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা আল-কায়দার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.