‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram) বাজলেও উঠে দাঁড়িয়ে গানের প্রতি সম্মান জানাতে হবে। নয়া নির্দেশিকা জারি করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। বিজ্ঞপ্তিতে সাফ জানানো হয়েছে, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে, সব স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ পরিবেশনের পরই বাজাতে হবে ‘বন্দে মাতরম’।
ঠিক কী বলা হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশিকায়? বলা হয়েছে, সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে, সব স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ পরিবেশনের পরই বাজাতে হবে ‘বন্দে মাতরম’। যে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি উপস্থিতি থাকেন সেখানে তিনি আসা ও যাওয়ার সময় পরিবেশন করতে হবে এই গান। এই গান বাজাতে হবে পদ্ম পুরস্কারের মতো অসামরিক তথা নাগরিক সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও। যদিও সিনেমা হলে এই গান বাজানো বাধ্যতামূলক নয় বলেই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সমস্ত সরকারি অনুষ্ঠানে, সব স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ পরিবেশনের পরই বাজাতে হবে ‘বন্দে মাতরম’। যে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি উপস্থিতি থাকেন সেখানে তিনি আসা ও যাওয়ার সময় পরিবেশন করতে হবে এই গান।
এই নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, এবার ‘বন্দে মাতরম’-এর ছটি স্তবকই পরিবেশন করতে হবে। উল্লেখ্য, ১৯৩৭ সালে কংগ্রেস আমলে গানটির চারটি স্তবক বাদ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেন হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত? জানা যায়্ছে, নাগরিকদের মধ্যে দেশপ্রেম বোধ জাগাতে, শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে ও জাতীয় প্রতি সম্মান বাড়াতেই এই পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।
উল্লেখ্য, গতবছর এই ‘বন্দে মাতরম’কে কেন্দ্র করেই অশান্তিতে জড়িয়েছিল তৃণমূল ও কংগ্রেস। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অভিযোগ করেছিলেন, জওহরলাল নেহেরু নাকি মুসলিমদের খুশি করতেই ‘বন্দে মাতরমে’র চার স্তবক বাদ দিতে বলেছিলেন। এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছিল কংগ্রেস। এবার ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে কেন্দ্রের এই নির্দেশ সেই বিতর্কই উসকে দেবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আইসক্রিম ভেবে ‘ক্ষতিকর’ ফ্রোজেন ডেজার্ট খাচ্ছেন না তো? পার্থক্য না বুঝলেই মুশকিল
-
মমতার দুর্দিনে বেসুরে গাইছেন বাবুলও! রাজনীতিতে সবই ন্যায্য দেখছেন সুপ্রিয়?
-
রুপোর গ্লাসে জল খান কঙ্গনা রানাউত! উপকারিতা জানলে আপনিও খাবেন
-
মাছের আড়ালে গরুর মাংস পাচার! উত্তরপ্রদেশে বাজেয়াপ্ত ১.৬৮ কোটির অবৈধ ব্যবসা
-
টানা বৃষ্টিতেও পুরোদমে চলছে এসি? জেনে নিন কোন ভুলে হতে পারে চরম ক্ষতি