Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subhash Chandra

সাড়ে ৬ কোটিতে মিলবে না ছাড়! ২২ হাজার কোটির ঋণ মকুব মামলায় নয়া চাপে সুভাষ চন্দ্র

গোট ২৮ আগস্ট ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নীলেশ শর্মা সুভাষ চন্দ্রের প্রস্তাবিত ঋণ মকুবের পরিকল্পনায় সায় দিয়ে দেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৭:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬, ১৭:৩৪

options
link
সাড়ে ৬ কোটিতে মিলবে না ছাড়! ২২ হাজার কোটির ঋণ মকুব মামলায় নয়া চাপে সুভাষ চন্দ্র zoom
জি গ্রুপের প্রাক্তন কর্ণধার সুভাষ চন্দ্র। ফাইল ছবি।
Advertisement

২২,০০৬ কোটি টাকার ঋণ। অথচ ওই বিপুল ঋণ মকুব হয়ে যাবে স্রেফ সাড়ে ৬ কোটি টাকা দিলেই! এসেল গ্রুপের কর্ণধার ও জি মিডিয়ার প্রাক্তন কর্ণধার সুভাষ চন্দ্রের সেই পরিকল্পনা আপাতত বাস্তবায়িত হচ্ছে না। ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনাল নিজেদের আগের সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দিয়ে দিল। NCLT জানাচ্ছে, আগে যে রায় দেওয়া হয়েছিল, সেটাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ মত ছিল কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

গোট ২৮ আগস্ট ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নীলেশ শর্মা সুভাষ চন্দ্রের প্রস্তাবিত ঋণ মকুবের পরিকল্পনায় সায় দিয়ে দেন। সুভাষ চন্দ্রের বিভিন্ন সংস্থার নামের পাশে সব মিলিয়ে ঋণ রয়েছে ২২ হাজার ৬ কোটি টাকা। এবং সেই ঋণ মেটাতে সংস্থাগুলি অপারগ। ওই ঋণগুলির গ্যারান্টার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র নিজে। সুভাষ চন্দ্র আদালতে জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি ওই বিপুল ঋণ শোধ করতে অপারগ। ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকে বড়জোর সাড়ে ৬ কোটি টাকা শোধ করার সামর্থ্য রয়েছে তাঁর। যা কিনা তাঁর মোট ঋণের ০.০৩ শতাংশ মাত্র। বিচারক নীলেশ শর্মা ওই রিপেমেন্ট প্ল্যানে সায় দেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সুভাষ চন্দ্রর ওই রিপেমেন্ট প্ল্যানে এবার স্থগিতাদেশ দিল NCLT-র পাঁচ সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ। ওই বিশেষ বেঞ্চ বলছে, ন্যাশনাল কোম্পানি ল’ ট্রাইব্যুনালের আগের রায়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ ঋণদাতাদের মতামতের বিষয়টি নিয়ে সংশয় রয়েছে। ফলে ওই রায় আপাতত কার্যকর হচ্ছে না। ঋণখেলাপির কোনও সম্পত্তিও বিক্রি করা যাবে না। NCLT-র পাঁচ সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ নতুন করে মামলার বিস্তারিত শুনতে চায়। তারপর ওই পরিকল্পনা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

যদিও NCLT-র বিচারক আগে জানিয়েছিলেন, সুভাষ চন্দ্রর ওই প্রস্তাব নিয়ে ঋণদাতাদের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। ৮০ শতাংশ ঋণদাতাই প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। এলআইসি হাউসিং ফাইনান্স, এইচডিএফসি, অ্যাক্সিস, কানারা ব্যাঙ্কের মতো ঋণদাতারা এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ ঋণদাতা এই প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। এবার ফের ঋণদাতাদের মতামত নেওয়া হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.