Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
NCERT

দেশভাগের ইতিহাসে বদল, বাদ হিটলার! এনসিইআরটি-র পাঠ্যবইয়ে ঢুকল সাভারকরের স্বরাজের দাবি

সংশোধিত পাঠ্যপুস্তক থেকে ফরাসি বিপ্লব, রুশ বিপ্লব ও নাৎসিবাদের উত্থান বিষয়ক অধ্যায়গুলি বাদ পড়েছে। এর বদলে প্রারম্ভিক মানব ইতিহাস, হরপ্পা সভ্যতা, মেসোপটেমিয়া, মিশর ও চিনের মতো প্রাচীন সভ্যতায় আলোকপাত করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৯, ২০২৬, ১৮:৩০

options
link
দেশভাগের ইতিহাসে বদল, বাদ হিটলার! এনসিইআরটি-র পাঠ্যবইয়ে ঢুকল সাভারকরের স্বরাজের দাবি zoom
বইয়ের সংশোধিত নতুন সংস্করণ আনার নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত।
Advertisement

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিচারব্যবস্থা সংক্রান্ত বিতর্কিত অধ্যায় সংশোধনের পাশাপাশি অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনল এনসিইআরটি। ১৯৪৭ সালের দেশভাগ নিয়ে কংগ্রেসের অবস্থান সম্পর্কেও পাঠ্যবইয়ের সংশোধন করা হয়েছে। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অধ্যয়ে অ্যাডলফ হিটলার ও নাৎসি মতাদর্শ সম্পর্কিত উল্লেখ সম্পূর্ণভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে নতুন সংস্করণে। এছাড়াও বিনায়ক দামোদর সাভারকরের পূর্ণ স্বরাজের দাবির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংস্করণ প্রত্যাহার করে সংশোধিত নতুন সংস্করণ আনার নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে একাধিক পরিবর্তন আনা হল অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞান বইয়ে। সংশোধিত নতুন সংস্করণের নাম দেওয়া হয়েছে— ‘এক্সপ্লোরিং সোসাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড’। এই বইয়ে বলা হয়েছে, দেশভাগের পরিকল্পনার বিরোধিতা শুধু মহাত্মা গান্ধী বা কয়েকজন কংগ্রেস নেতাই করেননি, বরং ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বৃহৎ অংশই দেশভাগের বিরোধিতা করেছিল। একই সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশভাগ মেনে নেওয়াই একমাত্র পথ ছিল কি না, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে এখনও বিতর্ক রয়েছে। উল্লেখ্য, আগের সংস্করণে বলা হয়েছিল, মহাত্মা গান্ধী ও অধিকাংশ কংগ্রেস নেতা দেশভাগের বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত সেটিকেই একমাত্র উপায় হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন।

Advertisement

পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রচেষ্টার উল্লেখে হিটলারকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আগের সংস্করণে ছিল ‘একনায়ক’ এবং ‘বর্ণবিদ্বেষী’ হিটলারের সমর্থন চান নেতাজি। হিটলারের নাৎসি মতাদর্শ সম্প্রসারণের কারণেই যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। সংশোধিত সংস্করণে বলা হয়েছে “ব্রিটিশ-বিরোধী শক্তির কাছ থেকে সহায়তা চেয়েছিলেন” নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। হিটলার ও নাৎসি মতাদর্শ সংক্রান্ত যাবতীয় উল্লেখ বাদ দেওয়া হয়েছে।

এনসিইআরটি নবম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যক্রমেও আমূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত পাঠ্যপুস্তক থেকে ফরাসি বিপ্লব, রুশ বিপ্লব ও নাৎসিবাদের উত্থান বিষয়ক অধ্যায়গুলি বাদ পড়েছে। এর বদলে প্রারম্ভিক মানব ইতিহাস, হরপ্পা সভ্যতা, মেসোপটেমিয়া, মিশর ও চিনের মতো প্রাচীন সভ্যতায় আলোকপাত করা হয়েছে। এনসিইআরটি জানিয়েছে, আধুনিক বিশ্ব ইতিহাসের অধ্যায়গুলিকে দশম শ্রেণিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ইতিহাসের অধ্যায়টিকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে, যাতে বিনায়ক দামোদর সাভারকরকে অন্তর্ভুক্ত করা যায়। পূর্ণ স্বরাজের দাবির অধ্যয়টিতে বলা হয়েছে, “১৯২৫ সালে ভি ডি সাভারকরও স্বরাজের দাবি জানিয়েছিলেন।” বলা বাহুল্য, এটি সম্পূর্ণ নয়া ঐতিহাসিক সূত্র, যা আগের সংস্করণে ছিল না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.