সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে তরুণদের। দেশে কর্মসংস্কৃতির হাল ফেরাতে এমনই পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রাক্তন ইনফোসিস কর্তা নারায়ণমূর্তি। আর তা নিয়ে শুরু হয়েছিল তুমুল বিতর্ক। তাঁর সমর্থন বা বিরোধিতায় নানাজন নানা মতামত দিয়েছিলেন। এবার নিজের বক্তব্যকে সমর্থন করে মুখ খুললেন নারায়ণমূর্তি। জানিয়ে দিলেন, আমৃত্যু সপ্তাহে ৬ দিন কাজের পক্ষেই সওয়াল করবেন তিনি।
সিএনবিসি গ্লোবাল লিডারশিপ সামিটে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। আর সেই সময়ই এই প্রসঙ্গ উঠে আসে তাঁর কথায়। ৭৮ বছরের নারায়ণমূর্তি বলেন, ”এই কথাটা আমি আমার কবর পর্যন্ত নিয়ে যাব।” ১৯৮৬ সালে ভারতে সাপ্তাহিক ৬ দিন কাজের নিয়ম বদলে ৫ দিন করা হয়। এই প্রসঙ্গ তুলে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এই পরিবর্তন কোনওদিনই মানতে পারেননি তিনি। ইনফোসিসের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ”আমি অত্যন্ত দুঃখিত। আজও আমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলায়নি।” সেই সঙ্গেই তিনি বলেন, জাতীয় উন্নতির জন্যই সবাইকে বেশি করে কাজ করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথাও বলেন নারায়ণমূর্তি। তাঁর কথায়, ”যেখানে প্রধানমন্ত্রী মোদি এত পরিশ্রম করেন, সেখানে নিজেদের উপলব্ধিকে প্রকাশ করার সেরা উপায়ই হল একই ভাবে পরিশ্রম করে যাওয়া।”
প্রসঙ্গত, একটি পডকাস্টে কথা বলার সময় নারায়ণমূর্তি জানিয়েছিলেন, ভারতের কর্ম সংস্কৃতির বড় পরিবর্তন প্রয়োজন। সপ্তাহে ৭০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে তরুণদের। তাঁর কথায়, ”ভারতের কর্ম-উৎপাদনশীলতা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম।” এই পরিস্থিতিতে ৭৭ বছরের নারায়ণমূর্তির পরামর্শ, ”আমার মতে তরুণদের অবশ্যই বলা উচিত, এটা আমার দেশ। আমি ৭০ ঘণ্টা কাজ করতে চাই।” এর পরই শুরু হয় বিতর্ক। এবার ফের নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মুখ খুললেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার