Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Uttar Pradesh

নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায়

রবিবার সকাল ১০টায় ছাড়া হয়েছে ১,২৫,০০০ কিউসেক জল। দুপুর ১টায় ছাড়া হয়েছে ১,৪৭,৫০০ কিউসেক জল। এই মুহূর্তে অতিরিক্ত জলরাশি নিয়ে মহারাজগঞ্জ জেলার নিচলৌলে নারায়ণী-গণ্ডক ভয়াল গতিতে বয়ে চলেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ২২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২৬, ২২:৫৭

options
link
নেপালের দুর্যোগে ভাসবে উত্তরপ্রদেশ? ফুঁসছে নারায়ণী-গণ্ডক, প্লাবনের শঙ্কায় সতর্কতা একাধিক জেলায় zoom
নিম্ন অববাহিকায় জেলাগুলিতে জারি হয়েছে সতর্কতা।
Advertisement

নেপালে প্রলয়ের পড়েই সতর্কতা জারি হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে। নেপথ্যে নারায়ণী ও গণ্ডক নদীর জলস্তর বৃদ্ধি। আশঙ্কা বাড়াচ্ছে বিপর্যস্ত নেপালের একটানা বৃষ্টিপাত। হড়পা বানের পড়েও যা অব্যাহত রয়েছে। নেপালের ত্রিশূলী নদীর জল এই নারায়ণী ও গণ্ডক নদী হয়েই নিম্ন অববাহিকায় থাকা উত্তরপ্রদেশের দিকে নেমে আসে। এই মুহূর্তে দুই নদীতেই হুহু করে জলস্তর বাড়ছে। এই অবস্থায় উদ্বিগ্ন যোগীরাজ্যের প্রশাসন।

নদীতে অতিরিক্ত জলের চাপের কারণে শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ৯৯,৮০০ কিউসেক জল ছাড়া হয় বাল্মিকীনগর গণ্ডক বাঁধ থেকে। রবিবার সকাল ১০টায় ছাড়া হয়েছে ১,২৫,০০০ কিউসেক জল। দুপুর ১টায় ছাড়া হয়েছে ১,৪৭,৫০০ কিউসেক জল। এই মুহূর্তে অতিরিক্ত জলরাশি নিয়ে মহারাজগঞ্জ জেলার নিচলৌলে নারায়ণী-গণ্ডক ভয়াল গতিতে বয়ে চলেছে। নদীর রূপ দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা করছেন, যে কোনও সময় নদীবাঁধ ভেঙে যেতে পারে। তেমনটা ঘটলে ভুক্তভোগী হবেন পাথালহাওয়া এবং তেলফল অঞ্চলের মানুষ। জানা গিয়েছে, নদী সংযোগকারী রোহুয়া নালাও উপচে পড়েছে। এর ফলে আশপাশের নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

ইতিমধ্যে এলাকায় সতর্কতা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্ধারকারী দলকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। যে কোনও সময় ডাক পড়তে পারে। নিচলৌল সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্ধার্থ গুপ্ত জানিয়েছেন, প্রশাসন পরিস্থিতির দিকে কড়া নজর রাখছে। জলস্তর বাড়লে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, বাল্মিকীনগর গণ্ডক বাঁধের ধারণ ক্ষমতা ৪.৩০ লক্ষ কিউসেক। এখন তাতে ১.৫০ কিউসেক জল রয়েছে। তাই এখনই আশঙ্কা করার কিছু নেই।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালে মুক্তি পাওয়া হলিউডের সাইফাই ছবি ‘২০১২’-কে মনে করিয়ে দিয়েছে নেপালের প্রলয়। বুধবার সকালে হিমালয়ের হিমবাহ ভাঙার পর সুন্দরী নদীই হয়ে উঠেছিল রাক্ষুসে! জল আর কাদার স্রোতে ভেসে গিয়েছিল শহর থেকে গ্রাম। বেঘোরে মৃত্যু হয়েছে অসংখ্য মানুষের। ভয়ংকর ওই দুর্যোগে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। রবিবারের খবর, নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭৬৮ জনের। সব মিলিয়ে নিখোঁজ ৩০৪৮। হাজারও বাধা ডিঙিয়ে একটানা উদ্ধারকাজ চলছে। নতুন করে একটানা বৃষ্টিতে চিন্তিত নেপাল প্রশাসন।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.