Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
NALSAR debate

‘ককরোচে’র ভয়! ক্ষমা চাইলেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের শাস্তির নিদান দেওয়া বার কাউন্সিলের প্রধান

নালসারে প্রধান বিচারপতির সমাবর্তনে যোগ দেওয়া নিয়ে বিতর্কে নয়া মোড়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১৩:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৬, ২০২৬, ১৩:০০

options
link
‘ককরোচে’র ভয়! ক্ষমা চাইলেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের শাস্তির নিদান দেওয়া বার কাউন্সিলের প্রধান zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

তাঁর বিরুদ্ধে পথে নামার হুমকি দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সৌরভ দাসরা জানিয়ে দিয়েছিলেন ক্ষমা না চাইলে ইস্তফা দিতে হবে। চাপের মুখে ক্ষমা চাওয়ার পথ বেছে নিলেন বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার প্রধান তথা বিজেপি সাংসদ মননকুমার মিশ্র। তিনি মেনে নিয়েছেন, পড়ুয়াদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা দরকার।

আসলে দিন কয়েক আগে হায়দরাবাদের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ লিগাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন উৎসবে প্রধান অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে। এর বিরোধিতা করেন পড়ুয়াদের একাংশ। নেপথ্যে প্রধান বিচারপতির ‘ককরোচ’ মন্তব্য। শেষমেশ পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে নালসার সমাবর্তনে যেতে পারেননি প্রধান বিচারপতি। তাতে ক্ষোভপ্রকাশ করে বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। সংস্থার তরফে মননকুমার মিশ্র একটি নির্দেশিকায় দেশের সব বার কাউন্সিলকে জানিয়ে দেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হায়দরাবাদের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ লিগ্যাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের ২০২৬ সালের কোনও স্নাতককেই কোনও রাজ্যের বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে না।

Advertisement

যদিও কয়েক ঘণ্টা পরেই ব্যাকফুটে যায় বিসিআই। এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। এমনকী খোদ প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিয়ে হস্তক্ষেপ করেন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত উষ্মা প্রকাশ করে বলে দেন, বিষয়টি তাঁর ও পড়ুয়াদের মধ্যে ঘটেছে। এর মধ্যে বার কাউন্সিলের ঢোকা উচিত নয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “এটি (ছাত্রদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা) একেবারেই অনভিপ্রেত। আমিও একসময় ছাত্র ছিলাম। সক্রিয়ভাবে আন্দোলনেও অংশ নিয়েছিলাম। ঘটনাটি আমার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যের বিষয়। এতে হস্তক্ষেপ করার তারা (বিসিআই) কে?” প্রধান বিচারপতির ওই হেনস্তার পর বার কাউন্সিলের প্রধানের ক্ষমা চাওয়ার দাবি আরও জোরাল হয়।

শেষে ওই সতর্কবার্তার ২৪ ঘণ্টা কাটার আগেই ক্ষমা চেয়ে নিলেন মনন মিশ্র। তিনি বললেন, “গত কয়েক দিনের ঘটনায় পড়ুয়াদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। পড়ুয়াদের উদ্বেগের কথা ধৈর্য এবং সম্মানের সঙ্গে, সংবেদনশীল হয়ে শোনা উচিত। আমার কোনও কথা বা চিঠি যদি আইন পড়ুয়াদের মনে আঘাত দিয়ে থাকে তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। পড়ুয়াদের ভাবনা ও উদ্বেগের গুরুত্ব রয়েছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.