Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Pune fort Murder

‘সিয়া কাছে ছিল, আমার ছেলে ধাক্কা দেয়নি’, দাবি পুণে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চেতনের বাবার

চেতনের বাবা জানান, প্রথম থেকেই খুনের বিষয়টি অস্বীকার করেছে ছেলে। যদিও পুলিশের দাবি, কেতনের খুনকে নিছক দুর্ঘটনা বলে সাজানোর পরিকল্পনা ছিল সিয়া এবং তাঁর প্রেমিকের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২৩:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ২৩:২৮

options
link
‘সিয়া কাছে ছিল, আমার ছেলে ধাক্কা দেয়নি’, দাবি পুণে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চেতনের বাবার zoom
অন্যতম অভিযুক্ত চেতন চৌধুরী (বাঁ দিকে), চেতনের বাবা বাবুলাল চৌধুরী।
Advertisement

পুণের লোহাগড় কেল্লায় প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটে হবু স্বামীকে কেতন বিশাল অগরওয়ালকে খুনে অভিযুক্ত বাগদত্তা সিয়া গোয়েল এবং প্রেমিক চেতন চোধুরী। কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ৩৫০ ফুট নিচে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে। যদিও বুধবার চেতনের বাবা দাবি করলেন, “কেতনকে ধাক্কা দেয়নি আমার ছেলে। সেই সময় ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ছিল।”

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানায়, রীতিমতো পরিকল্পনা করে গত ১৮ জুন কেতনকে খুন করা হয়েছে। ষড়যন্ত্র করেন সিয়া গয়াল ও প্রেমিক চেতন চৌধুরী। যদিও বুধবার চেতনের বাবা বাবুলাল চৌধুরী দাবি করলেন, তাঁর ছেলে ওখানে ছিল না। সে একটি ব্যবসায়িক মিটিংয়ে যাওয়ার কথা বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। বাবুলাল বলেন, “ও মাকে বলেছিল একটা মিটিং আছে, বেরিয়ে যাচ্ছি। আমাকে কিছু বলেনি। বলেছিল ২টো কি ৩টের মধ্যে ফিরে আসবে।” চেতনের বাবা আরও জানান, লোহাগড় দুর্গে যা ঘটেছে, সেই সম্পর্কে তাঁর কোনও ধারণাই ছিল না। ছেলের গ্রেপ্তারির পরেই বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

Advertisement

বাবুলাল আরও বলেন, “চেতন আমাকে জানিয়েছে, কথা বলার সময় ওদের (কেতন ও সিয়ার) মধ্যে কী হয়েছিল আমার জানা নেই।” বাবুলাল আরও জানান, প্রথম থেকেই খুনের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন চেতন। আরও বলেন, “যখন আমরা থানায় গেছিলাম, চেতন আমাকে বলেছিল সে ধাক্কা দেয়নি। অনেক দূরে দাঁড়িয়ে ছিল। সিয়া কেতনের কাছে ছিল।”

পুলিশ জানিয়েছে, কেতনের খুনকে নিছক দুর্ঘটনা বলে সাজানোর পরিকল্পনা ছিল সিয়া এবং তাঁর প্রেমিকের। তদন্তকারীদের চোখে ধুলো দেওয়ারও চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। একটি হুডিই তাঁদের ধরিয়ে দেয়। কীভাবে এই হত্যাকাণ্ডের কিনারা করল পুলিশ? আসলে তদন্তের সূত্রে লোহাগড়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। তখনই তাঁদের মাথা ঘুরে যায়। ফাঁস হয়ে যায় সব ষড়যন্ত্র। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কেতন এবং সিয়ার গাড়ি অনুসরণ করছেন এক যুবক। তাঁর গতিবিধি যথেষ্ট সন্দেহজনক ছিল। চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, জুন মাসের ভ্যাপসা গরম, বাইরে যখন তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তখন ওই যুবকের পরনে ছিল হুডি। এত গরমে কেন তিনি হুডি পরেছিলেন? তা ভাবিয়ে তোলে তদন্তকারীদের। সেখান থেকেই তদন্তের মোড় ঘোরে।

যেখানে কেতনের মৃত্যু হয়েছিল, সেই এলাকার আশপাশের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজেও ধরা পড়েন ওই যুবক। তখনই পুলিশের সন্দেহ আরও গভীর হয়। সিয়ার সঙ্গে যে ওই যুবকের কোনও যোগ রয়েছে, তা স্পষ্ট হতে শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে সিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে প্রথমে তিনি তদন্তকারীদের দাবি অস্বীকার করেন কিন্তু পরে চাপের মুখে ভেঙে পড়েন তরুণী। স্বীকার করে নেন খুনের কথা। তখনই জানা যায়, ওই যুবক আর কেউ নন চেতন।এরপর সিয়ার মোবাইল ফোনের রেকর্ড, সমাজমাধ্যমের পোস্ট এবং অন্যান্য ডিজিটাল প্রমাণ খতিয়ে দেখে তাঁর সঙ্গে চেতনের সম্পর্কের কথাও প্রকাশ্যে আসে। উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বরে বিয়ের কথা ছিল সিয়া-কেতনের। তার জন্য ১৭ কোটি টাকা দিয়ে প্রাসাদও বুক করা হয়েছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.