সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু হিন্দুরা নন, এবার জাতিগত জনগণনায় নিজেদের বর্ণ উল্লেখ করতে হবে মুসলিমদেরও। কেন্দ্র চাইছে আহমেদিয়া, পসমন্দা মুসলিমদের ওবিসি সম্প্রদায়ের অধীনে সংরক্ষণে আনতে। তবে সার্বিকভাবে গোটা মুসলিম সমাজকে সংরক্ষণের আওতায় রাখা হবে না। কারণ এ দেশের সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ অনুমোদিত নয়।
সূত্রের খবর, এবারের জাতিগত জনগণনার সময় ধর্মের পাশাপাশি বর্ণের জন্য একটি কলাম থাকবে। এটা হবে সবার জন্য। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র বলছে, মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে অনেক বর্ণ রয়েছে। এই তথ্যও জাতিগত জনগণনায় প্রকাশ পাবে। এর পিছনে সরকারের যুক্তি, ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ অনুমোদিত নয়। তাই গোটা মুসলিম সমাজকে সংরক্ষণ দেওয়া যায় না। আবার মুসলিমদের মধ্যেও অনেক পিছিয়ে পড়া বর্ণ রয়েছে। তাঁদের সংরক্ষণ প্রয়োজন।
বিরোধীদের একাংশের ধারণা, মোদি সরকার এই জাতিগত জনগণনার আড়ালে মুসলিম সমাজের ঐক্যে চিড় ধরানোর চেষ্টা করছে। সাম্প্রতিক ইতিহাস বলছে, সংখ্যালঘুরা একচেটিয়াভাবে বিজেপি বিরোধিতায় সুর চড়াচ্ছেন। সেই ঐক্যের জায়গাটা নষ্ট করতে মুসলিমদের মধ্যেও ‘জাতিভেদ’ উসকে দেওয়ার চেষ্টা হতে চলেছে জনগণনার মাধ্যমে।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার জাতিভিত্তিক জনগণনায় সম্মতি দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। কেন্দ্রের তরফে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী, জানান জনগণনা হবে তা হবে জাতিভিত্তিক। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে জাতিগত জনগণনার কাজ শুরু হবে। এ জন্য সরকার শীঘ্রই কর্মকর্তাদের ডেপুটেশনে মোতায়েনের প্রক্রিয়া শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। জাতিগত জনগণনা সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, পনেরো দিনের মধ্যে সমস্ত কাজ সম্পন্ন হবে। এবার জাতিগত জনগণনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
সর্বশেষ খবর
-
আমেরিকার উপর নজরদারি ইজরায়েলের! গুপ্তচরদের নজর এড়াতে সতর্ক মার্কিন গোয়েন্দারা
-
সাত বছরের অপেক্ষার অবসান, বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে ফের সাফ মহিলা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ভারত
-
তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয়ে কন্ডোম, গুদাম থেকে মিলল প্রচুর ত্রাণ! চাঞ্চল্য খণ্ডঘোষে
-
‘সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আবার হাওয়া বদল!’ রুদ্রনীলকে পাশে নিয়ে আর কী বললেন পরমব্রত?
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও