Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬
Modi Cabinet reshuffle

২২ বছর পর উপপ্রধানমন্ত্রী পাবে দেশ? দুই নাম নিয়ে জল্পনা

তৃতীয় মোদি সরকারের দু'বছর পূর্ণ হতেই জাতীয় রাজনীতির আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ত্রিসভার রদবদল। আডবানীর পর মনমোহন সিংয়ের ১০ বছর এবং মোদির ১২ বছরের শাসনকালে কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী দেশে ছিলেন না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১২:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১২:০০

options
link
২২ বছর পর উপপ্রধানমন্ত্রী পাবে দেশ? দুই নাম নিয়ে জল্পনা zoom
ফাইল ছবি।

তৃতীয় মোদি সরকারের দু’বছর পূর্ণ হতেই জাতীয় রাজনীতির আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে মন্ত্রিসভার রদবদল। বিজেপির অতীতের রীতি বলছে, মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দু’বছর পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়। তাছাড়া নীতীন নবীন বিজেপির সভাপতি হওয়ার পর পাঁচমাস কেটে গেলেও তাঁর নতুন ‘টিম’ তৈরি হয়নি। অর্থাৎ একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা এবং বিজেপির সংগঠনে রবদল আসন্ন।

আডবানীর পর মনমোহন সিংয়ের ১০ বছর এবং মোদির ১২ বছরের শাসনকালে কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী দেশে ছিলেন না। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, বিজেপি আবার উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করার কথা ভাবছে। এবং দু’জনের নাম নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে।

বিজেপি সূত্র বলছে, এবার মন্ত্রিসভার রদবদল এবং বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল দুটো হবে একে অপরের সঙ্গে সাযুজ্য বজায় রেখে। অর্থাৎ মন্ত্রিসভা থেকে কিছু মুখ আসবেন সংগঠনে। আবার মন্ত্রিসভায় কিছু নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হবে। কিছু পুরনো নেতাকে ছুটিও দিয়ে দেওয়া হতে পারে। সব মিলিয়ে অন্তত ৭-৮ জন সাংসদ নতুন করে মন্ত্রী হতে পারেন। প্রত্যাশিতভাবেই মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যের উপর ছাঁটাইয়ের খাঁড়া ঝুলছে। মোদি মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ কারা হতে পারেন? জোট সমীকরণ কীভাবে বজায় রাখবেন মোদি-শাহরা এসব নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু সেসব ছাপিয়ে এখন আলোচনা অন্য একটি জল্পনা নিয়ে। একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব নাকি একজন উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করার কথা ভাবছে। এমনিতে ওই পদটি সাংবিধানিক নয়, মূলত আলঙ্কারিক। জোট সমীকরণ বা দলের অন্দরে ক্ষমতার সাম্য বজায় রাখার জন্য অতীতে একাধিকবার উপপ্রধানমন্ত্রী পদে একাধিক প্রভাবশালী নেতাকে দেখা গিয়েছে। এর আগে ভারত ৭ জনকে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসাবে পেয়েছে। শেষ জনের নাম লালকৃষ্ণ আডবানী। ২০০৪ সাল পর্যন্ত বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। আসলে বাজপেয়ী সরকারে আডবানীই সবচেয়ে প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন। এমনকী দলে তাঁর প্রভাব বাজপেয়ীর চেয়েও বেশি ছিল, তাই তাঁকে সম্মানিত করতেই উপপ্রধানমন্ত্রী পদটি দেওয়া হয়।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে আডবানীর পর মনমোহন সিংয়ের ১০ বছর এবং মোদির ১২ বছরের শাসনকালে কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী দেশে ছিলেন না। কিন্তু শোনা যাচ্ছে, বিজেপি আবার উপপ্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করার কথা ভাবছে। এবং দু’জনের নাম নিয়ে ভাবনা চিন্তা চলছে। একজন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিজেপিতে এবং মন্ত্রিসভায় তাঁর প্রভাব নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। বাংলায় অভাবনীয় সাফল্যের পর তাঁকে পুরস্কার হিসাবে ওই পদ দেওয়া হতে পারে। আরেক জন নীতীশ কুমার। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে আপাতত রাজ্যসভার সাংসদ করে রেখে দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রিত্ব কাড়া হলেও সেভাবে বড় কোনও পদে পুনর্বাসন দেওয়া হয়নি তাঁকে। জেডিইউ নেতারা প্রকাশ্যেই বলছেন, নীতীশকে উপপ্রধানমন্ত্রী করা হোক। যদিও সরকার বা বিজেপির কেউ এ নিয়ে মুখ খোলেনি। তাই আদৌ কোনও উপপ্রধানমন্ত্রী দেশ পাবে কিনা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে জল্পনা চরমে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.