Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
Journalist's burned body

সাহসী সাংবাদিকতার বলি! নিখোঁজের হওয়ার ৩দিন পর উদ্ধার অর্ধদগ্ধ দেহ

ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১৮:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১৮:০৫

options
link
সাহসী সাংবাদিকতার বলি! নিখোঁজের হওয়ার ৩দিন পর উদ্ধার অর্ধদগ্ধ দেহ zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাহসী সাংবাদিকতার বলি! অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার সাংবাদিকের। তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর একটি মাঠ থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর আন্দামানে। কী কারণে খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত সাংবাদিকের নাম শাদেব দে। তাঁর বয়স ৩৮ বছর। তিনি ‘রিপাবলিক আন্দামান’ নামের একটি পোর্টাল চালাতেন। মঙ্গলবার স্থানীয় দেশবন্ধুনগরের দিগলিপুরের একটি মাঠ থেকে শাদেবের পোড়া দেহ উদ্ধার হয়। সাংবাদিক নিখোঁজ হওয়ার আগে লাগাতার স্থানীয় দুষ্কৃতী, বেআইনি কাজের প্রতিবেদন তুলে ধরছিলেন। অবৈধ ভাবে মাটি কাটা, কাঠ পাচার, মদ তৈরির কারবার, জুয়া চক্রের বিরুদ্ধে খবর তুলে ধরছিলেন। এই জন্য কয়েকদিন আগে দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্তও হন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপরই ২৯ মার্চ রাত থেকে নিখোঁজ হয়ে যান শাদেব। সেই দিন রাতে শেষবার ৮টা ১১মিনিটে স্ত্রীকে ফোন করে জানিয়েছিলে মধ্যপুর এলাকায় রয়েছেন। কিছুক্ষণ পর ফিরে আসবেন। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেননি। শাদেবের সঙ্গে ফোনে আর যোগাযোগও করা যায়নি। তারপর থানায় নিখোঁজের অভিযোগ জানায় পরিবার। পুলিশ তদন্তে নেমে দিগলিপুরের এক বার-কাম রেস্তোরাঁর মালিক গঙ্গাইয়া, দুই কর্মচারী রামা সুব্রমানিয়ান ও রমেশ ও স্থানীয় এক মহিলা বিতিকা মালিককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, তাঁরা খুনের কথা স্বীকার করেছে।

জানা গিয়েছে, ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে বিতিকা শাদেবকে দিগলিপুরের নেহরু যুব কেন্দ্র এলাকায় ডাকেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ওই রেস্তোরাঁর রামা সুব্রমানিয়ান। তিনি শাবেদের মাথায় আঘাত করেন। সাংবাদিক মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্তরা তাঁর দেহ দেশবন্ধুনগরের একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেয়। কিন্তু তাঁদের এই বয়ানে কিছু অসংগতি রয়েছে। পুলিশকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

শাদেবের এক আত্মীয় অলোক বরুই জানান, “আমরা শুনেছি ওকে খুন করা হয়েছে। কয়েকমাস আগে শাবেদ এলাকায় অবৈধ মদের চোরাচালান ফাঁস করতে গিয়ে স্থানীয় দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। ঘটনার সঠিক তদন্ত করা হোক।” পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ব্যক্তিগত কোনও কারণে তিনি খুন হয়েছেন। তবে সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.