Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
India Pakistan

‘ব্যর্থ হলেই ভারতকে দোষ দেওয়া পাকিস্তানের পুরনো রোগ’, আফগান সংঘাতের আবহে তোপ কেন্দ্রের

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষে ভারতের ভূমিকা রয়েছে বলে ইসলামাবাদের দাবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৭, ২০২৫, ১০:১১

options
link
‘ব্যর্থ হলেই ভারতকে দোষ দেওয়া পাকিস্তানের পুরনো রোগ’, আফগান সংঘাতের আবহে তোপ কেন্দ্রের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজেরা ঘর সামলাতে না পারলেই ভারতের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেয় পাকিস্তান। এটা ইসলামাবাদের পুরনো রোগ। এমনটাই সাফ জানিয়ে দিল বিদেশমন্ত্রক। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে। এই সংঘর্ষের নেপথ্যে ভারতের জোরাল ভূমিকা রয়েছে বলে আবারও দাবি করেছে ইসলামাবাদ। সেই দাবিকে একেবারে নস্যাৎ করে বিবৃতি দিল বিদেশমন্ত্রক।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “পাকিস্তান-আফগানিস্তানের পরিস্থিতির দিকে আমরা নজর রাখছি। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত, পাকিস্তানের মাটি জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য। তারা সন্ত্রাসে মদত জোগায়। আর দ্বিতীয়ত, এটা পাকিস্তানের বহু পুরনো অভ্যাস, যখন ওরা নিজেদের দেশের সমস্যা সামলাতে পারে না তখন সেই ব্যর্থতার জন্য ভারতকে দায়ী করে। আফগানিস্তান নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখছে, তাতেও ক্ষুব্ধ হচ্ছে ইসলামাবাদ।” রণধীর স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আফগানিস্তানের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বকে ভারত সবসময়ে সমর্থন করবে।

Advertisement

গত বুধবার সকালে তালিবান বাহিনী সীমান্ত এলাকার পাক সেনাঘাঁটিতে হামলা চালায়। সংঘর্ষে নাস্তানাবুদ হয় পাক সেনা। পালটা স্পিন বোলদাকে পাক সেনা গুলি চালায়। এরপর ধুন্ধুমার সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা প্রত্যেকেই সাধারণ নাগরিক। আরও ১০০ জন আহত বলে জানা যায়। সূত্রের খবর, এই হামলার পরেই ‘বন্ধু’ সৌদি আরব এবং কাতারের সঙ্গে আলোচনা করে পাকিস্তান। যদিও সরকারিভাবে এই ফোনালাপের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। তারপরেই ৪৮ ঘণ্টার সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান।

শুক্রবার পাক সময় সন্ধে ৬টায় সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার আগেই যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। কেবল আফগানিস্তানের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষাই নয়, তালিবান সরকারকে কার্যত স্বীকৃতি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন রণধীর। জানালেন, কয়েকদিনের মধ্যেই কাবুলে পুরোপুরিভাবে কাজ শুরু করবে ভারতীয় দূতাবাস। উল্লেখ্য, তালিবান সরকারকে এখনও স্বীকৃতি দেয়নি ভারত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.