Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Ghaziabad

১৫০ কোটির সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, গাজিয়াবাদে বাবাকে গুলিতে ঝাঁজরা করল মদ্যপ ছেলে!

ইতিমধ্যে ছেলেকে একটি বাজারের মালিকানা এবং ২৫ বিঘার জমি লিখে দিয়েছিলেন বাবা। বাদ বাকি সম্পত্তির দাবিতে খুন!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২১:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২১:৩২

options
link
১৫০ কোটির সম্পত্তি নিয়ে বিবাদ, গাজিয়াবাদে বাবাকে গুলিতে ঝাঁজরা করল মদ্যপ ছেলে! zoom
বাবাকে খুন করে পলাতক ছেলের খোঁজে পুলিশ।
Advertisement

অর্থে অনর্থ! ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক বাবা। সেই সম্পত্তি নিয়ে বিবাদে তাঁকে গুলি করে খুন করল ছেলে! বচসার পর বাড়িতেই এই হত্যাকাণ্ডে চলে। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরেই পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। তাঁকে ধরতে একটি বিশেষ দল তৈরি করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। এখনও পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি অভিযুক্তের।

এই ঘটনা গাজিয়াবাদের। ৫২ বছরের হরিওম চৌধুরীর বাড়ি মোদিনগর থানার অন্তর্গত বুদনা গ্রামে। এলাকার অন্যতম ধনী কৃষক হিসাবে পরিচিত তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, মোদিনগরে ৭৫ বিঘা জমি রয়েছে হরিওমের। এছাড়াও দিল্লি-মিরাট রোডের একটি বাজারেরও মালিক তিনি। সব মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১৫০ কোটি টাকার বেশি। হরিওমের স্ত্রী অনিতা এবং দুই ছেলে নিখিল ও নিশু।

Advertisement

মোদিনগরের এসিপি ভাস্কর বর্মা জানিয়েছে, নিখিল মদ্যপানে আসক্ত। বাবা প্রায়ই এই নিয়ে তাঁকে বকাবকি করতেন। ইতিমধ্যে হরিওম তাঁকে বাজার ও ২৫ বিঘার জমির মালিকানা লিখে দিয়েছিলেন। যদিও নিখিলের দাবি ছিল, বাকি ৫০ বিঘা জমিও তাঁকেই লিখে দিতে হবে। আগেই এই দাবি নস্যাৎ করেছিলেন হরিওম চৌধুরী। পাশাপাশি লাগামছাড়া মদ্যপান করে টাকা ধ্বংস নিয়ে আপত্তি করেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, স্ত্রী ও ছোট ছেলের সঙ্গে রাতের খাবার খান হরিওম। এরপর বেশি রাতে মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরেন নিখিল। ফের মদ্যপান এবং অন্য বিষয়ে বিবাদ শুরু হয়। তখনই রিভালভার বের করে বাবাকে গুলি করেন নিখিল। চার থেকে ছয়টি বুলেট লাগে হরিওম চৌধুরীর মুখ, বুক ও পেটে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। এরপর থেকে পলাতক নিখিল। তাঁর খোঁজে পুলিশি অভিযান চলছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.