Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Uttar Pradesh

ডাক্তারিতে সুযোগ পেতে আজব কাণ্ড! নিজের পা কেটে কোটায় ভর্তির চেষ্টা যুবকের, তারপর…

দুষ্কৃতী হামলার গল্প ফেঁদেও লাভ হল না। একই কথা সে তার প্রেমিকাকেও বলেছিল। কিন্তু তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায়। শেষ পর্যন্ত জেরার মুখে ভেঙে পড়ে, সত‌্য স্বীকারও করে নেয় ওই যুবক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৪:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ১৪:৫৪

options
link
ডাক্তারিতে সুযোগ পেতে আজব কাণ্ড! নিজের পা কেটে কোটায় ভর্তির চেষ্টা যুবকের, তারপর… zoom

এমবিবিএস-এ ভর্তি হতেই হবে। প্রয়োজনে শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায়। মরিয়া হয়ে তাই নিজের পায়ের আঙুল কেটে, নিজেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রমাণ করতে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তি হওয়ার ‘টিকিট’ জোগাড় করার চেষ্টা করল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) জৌনপুর জেলার এক যুবক! ঘটনা সেখানকার লাইন বাজার থানা এলাকার।

অভিযুক্ত যুবকের নাম সুরজ ভাস্কর। বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। প্রথমে গোটা ঘটনাটিকে মিথ‌্যার জালে বুনেছিল সে। দাবি করেছিল, তার খলিলপুরের বাড়িতে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছিল। প্রাণে মারতে না পেরে বাম পায়ের চারটি আঙুল কেটে নিয়ে গিয়েছে। এই একই কথা সে তার প্রেমিকাকেও বলেছিল। কিন্তু তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায়। খুঁজে পায় বিভিন্ন তথ‌্যপ্রমাণও। শেষ পর্যন্ত জেরার মুখে ভেঙে পড়ে, সত‌্য স্বীকারও করে নেয় ওই যুবক। জানায়, যেনতেন প্রকারেণ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হতে সে নিজেই পায়ের আঙুল কেটেছিল, যাতে প্রতিবন্ধী কোটায় আসন পায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রথমে ওই যুবক গোটা ঘটনাটিকে মিথ‌্যার জালে বুনেছিল সে। দাবি করেছিল, তার খলিলপুরের বাড়িতে দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করেছিল।

পুলিশি তদন্তে প্রকাশ, মা, বড় ভাই এবং বোনের সঙ্গে থাকত সুরজ। সুরজের দাদা চাকরি করেন। সুরজের ডি-ফার্মা ডিগ্রি আছে। সে এমবিবিএস পরীক্ষা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ইতিমধে‌্যই তাদের বাড়ি সারানোর কাজ চলছিল। ১৮ জানুয়ারি সে বাড়িতে একাই ছিল। পরের দিন সকালে সুরজের পা কাটার ঘটনা সামনে আসে এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে সুরজ পুলিশকে জানিয়েছিল, দু’জন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী ১৮ জানুয়ারি, সন্ধ‌্যায় তাদের বাড়িতে আক্রমণ করে। তাকে অচেতন করে পা কেটে নিয়ে পালিয়ে যায়। সুরজের দাবি ছিল, বেশ কিছু দিন ধরেই হুমকি পাচ্ছিল সে।

তাদের পাড়ায় আলো নেভানো নিয়ে পড়শিদের সঙ্গে বচসা চলছিল তার। এই সব শুনে খুনের চেষ্টার মামলা দায়ের করা হয় প্রথমে। কিন্তু যত তদন্ত এগোতে থাকে, পুলিশ সাক্ষ‌্য বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায়। এমনকী তল্লাশিতে তারা ঘটনাস্থল থেকে সিরিঞ্জ, অ‌্যানেস্থিটিক ভেসেল, কাটার যন্ত্রও খুঁজে পায়। এছাড়া সুরজের ফোনের কল-রেকর্ডও খতিয়ে দেখা হয়। তবে সুরজের ডায়েরি হাতে আসার পর পুলিশ নিশ্চিত হয়, গোটাটাই সুরজের মস্তিষ্কপ্রসূত। কারণ সেখানে সে লিখেছিল, যেভাবেই হোক, তাকে ২০২৬ সালের মধে‌্য এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হতেই হবে। এর জন‌্য ২০২৫ সালের অক্টোবরে সে বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির চেষ্টাও করেছিল শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায়। কিন্তু ব‌্যর্থ হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.