Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Delimitation Bill

আসন পুনর্বিন্যাসে সিঁদুরে মেঘ দেখছে কংগ্রেস! সর্বদলীয় বৈঠক চেয়ে মোদিকে চিঠি খাড়গের

আসন্ন বাদল অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দলের। এর অন্যতম অংশ আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৬, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
আসন পুনর্বিন্যাসে সিঁদুরে মেঘ দেখছে কংগ্রেস! সর্বদলীয় বৈঠক চেয়ে মোদিকে চিঠি খাড়গের zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

আসন্ন বাদল অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনী বিল আনার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দলের। এর অন্যতম অংশ আসন পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত ঐতিহাসিক আইন। যা নিয়ে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এই অবস্থায় বিষয়টি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে।

সূত্রের খবর, বাদল অধিবেশনে যেনতেন প্রকারে মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী এবং আসন পুনর্বিন্যাস আইন পাশ করাতে মরিয়া কেন্দ্র। সেই লক্ষে ইতিমধ্যেই জাতীয় রাজনীতিতে ভাঙাগড়া শুরু হয়েছে। তবে কেন্দ্র জানে, বিল পাশ করাতে শুধু বিরোধীদের ভাঙন যথেষ্ট নয়। বিরোধী শিবিরের একটা অংশের সমর্থনও প্রয়োজন। এদিকে বিরোধীদের অভিযোগ, নিজেদের সুবিধামতো আসন কাঠামোয় বদল ঘটিয়ে সরকার লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীদের লড়াই আরও কঠিন করে দিতে চাইছে। বিশেষ করে আসন পুনর্বিন্যাস আইন নিয়ে সিঁদুরে মেঘ দেখছে কংগ্রেস। আসন পুনর্বিন্যাসের নামে জনবিন্যাস বদলে ভোটের অঙ্ক বদলে দিতে চাইছে বিজেপি, এমনটাই অভিযোগ রাহুল গান্ধীর দলের।

Advertisement

মোদিকে চিঠি লেখার বিষয়টি বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যে এনেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, কোনও আইনি প্রক্রিয়া শুরুর আগে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যেন আলোচনা করা হয়। প্রস্তাবগুলি পর্যালোচনা করার জন্য বিরোধী দলগুলিকে যেন পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়। কংগ্রেস সভাপতি আরও জানিয়েছেন, গত মার্চে এই বিষয়ে সর্বদলীয় বৈঠকের অনুরোধ জানিয়ে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর কাছেও চিঠি লিখছিলেন। যদিও মন্ত্রী সাড়া দেননি।

আসলে আসন পুনর্বিন্যাসের বিরোধিতায় ক্ষেত্রে কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের মূল আপত্তির কারণ ছিল, উত্তর-দক্ষিণ সাম্য নিয়ে উদ্বেগ। বিরোধী শিবিরের দাবি ছিল, আসন পুনর্বিন্যাস পাশ হলে বেশি জনসংখ্যার অজুহাত দেখিয়ে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির আসনসংখ্যা বেশি বাড়বে, আর দক্ষিণের রাজ্যগুলি যেহেতু জনসংখ্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করে ফেলেছে, তাই দক্ষিণের রাজ্যগুলির আসন তুলনায় কম বাড়বে। যদিও আগেরবার সংসদে এই বিল পেশ করার সময় অমিত শাহ সাফ বলে দিয়েছিলেন, জনসংখ্যার ভিত্তিতে নয়, বরং লোকসভার আসন বাড়ানো হবে শতাংশের বিচারে। সব রাজ্যের এখন যা আসন রয়েছে, সেটার ৫০ শতাংশ আসন বাড়ানো হবে। কিন্তু বিলের খসড়ায় সেটা লিখিত আকারে ছিল না। আর সেটাই বিরোধীদের আপত্তির মূল জায়গা। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.