Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Pahalgam Attack Anniversary

পাকিস্তানে বসেই হামলার পরিকল্পনা! পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে প্রকাশ্যে মূলচক্রীর পরিচয়

হামলার এক বছর পর পুরো ষড়যন্ত্রের পিছনে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তির নাম সাজিদ জাট। তদন্তে জানা গিয়েছে যে, সাজিদ জাট ঘন ঘন নিজের পরিচয়, অবস্থান এবং চেহারা পরিবর্তন করে পাকিস্তানে লুকিয়ে ছিল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৩:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১৩:৫০

options
link
পাকিস্তানে বসেই হামলার পরিকল্পনা! পহেলগাঁওয়ের বর্ষপূর্তিতে প্রকাশ্যে মূলচক্রীর পরিচয় zoom

পরিচয়পত্র, রাওয়ালপিন্ডির বাড়ি। সব মিলিয়ে পহেলগাঁও হামলার মূল পরিকল্পনাকারীর সঙ্গে মিলল পাকিস্তানি যোগসূত্র। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই তাকে একজন সম্পূর্ণ সাধারণ মানুষ হিসাবে জীবনযাপন করতে সাহায্য করছে। ওই ব্যক্তির নাম সাজিদ জাট, ওরফে সাইফুল্লা সাজিদ এবং হাবিবুল্লা তাবাসসুম।

পহেলগাঁও হামলার বর্ষপূর্তির (Pahalgam Attack Anniversary) আগে মঙ্গলবার এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা। হামলার এক বছর পর পুরো ষড়যন্ত্রের পিছনে থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ্যে এসেছে। ষড়যন্ত্রের নেপথ্যে থাকা ব্যক্তির নাম সাজিদ জাট। তদন্তে জানা গিয়েছে যে, সাজিদ জাট ঘন ঘন নিজের পরিচয়, অবস্থান এবং চেহারা পরিবর্তন করে পাকিস্তানে লুকিয়ে ছিল। সাজিদ লস্কর এবং টিআরএফ-এর একজন কুখ্যাত জঙ্গি।

Advertisement

সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, সে পাকিস্তানে বসেই কাশ্মীরে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, পাকিস্তানে সাজিদ নামে তার আর কোনও অস্তিত্ব নেই, বরং সে তার পরিচয় ও চেহারা বদলে ফেলেছে। এনআইএ-র তদন্তের উপর ভিত্তি করে সংবাদমাধ্যম জানায়, তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে, সাজিদ জাটের আসল পরিচয় হল হাবিবুল্লা তাবাসসুম। একটি গোপন আস্তানা থেকে পাকিস্তানের জাতীয় পরিচয়পত্র, তার বাসস্থানের ছবি এবং মোবাইল ফোনে কথা বলার ভিডিও-সহ একাধিক প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাপ্ত নথি অনুযায়ী, তাবাসসুম ১৯৭৬ সালের ২৩ মার্চ জন্মগ্রহণ করে এবং সে পাকিস্তানের কাসুর জেলার পাটোকি তহসিলের ভয় আসল গ্রামের বাসিন্দা।

২০১৫ সালে ইস্যু করা পরিচয়পত্রটিতে তার বাবার নাম মহম্মদ রফিক হিসাবে উল্লেখ করা আছে। এনআইএ-র তদন্তে সাজিদ জাট ওরফে সাইফুল্লা সাজিদকে এই হামলার আসল পরিকল্পনাকারী হিসাবে শনাক্ত করা হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে-ই বৈসরণ উপত্যকায় নিরীহ মানুষদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল। এনআইএ তার মাথার দাম ধার্য করেছে ১০ লক্ষ টাকা। তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক তথ্য। ফাঁস হয়েছে পাকিস্তানের মিথ্যাচার।

প্রকাশ্যে আসা এই নথিগুলো থেকে পরিষ্কার যে, কীভাবে সে বয়স ও নাম পরিবর্তন করে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে লুকিয়ে ছিল। কাসুরের রাস্তা থেকে শুরু করে রাওয়ালপিন্ডিতে ভাড়া করা ঘরে থেকেছে বলেই খবর। এই তদন্তে তার প্রতিটি গোপন আস্তানার খোঁজ মিলেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.