Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
Maharashtra

‘কেন চলে গেলে, ফিরে এসো’, হবু স্বামীকে খুনের পর ইনস্টাগ্রামে কুমিরের কান্না তরুণীর!

প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, পা ফস্কে পড়ে গিয়ে কেতনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে সন্দেহ বাড়তে থাকে কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েলের উপর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৯:৪৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০২৬, ১৯:৪৫

options
link
‘কেন চলে গেলে, ফিরে এসো’, হবু স্বামীকে খুনের পর ইনস্টাগ্রামে কুমিরের কান্না তরুণীর! zoom
সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী মিলে কেতনকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন।

প্রি ওয়েডিং ফটোশুটে গিয়ে হবু স্বামীকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিলেন তরুণী! মহারাষ্ট্রের মর্মান্তিক ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে চর্চা চলছে। তদন্ত চলাকালীন এবার প্রকাশ্যে এল বিস্ফোরক তথ্য। প্রাচীন কেল্লায় হবু স্বামীকে খুন করার পরই ইনস্টাগ্রামে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন ওই তরুণী। এত ভালোবেসেও কেন ছেড়ে চলে গেলে? এমন প্রশ্ন করেছিলেন প্রয়াত যুবককে।

বিয়ের ঠিক একমাস আগে বাগদত্তা তরুণীর জন্মদিন উদযাপন করতেই কেল্লায় গিয়েছিলেন পুণের কেতন বিশাল আগরওয়াল। ৩৫০ ফুট উঁচু থেকে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, পা ফস্কে পড়ে গিয়ে কেতনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে সন্দেহ বাড়তে থাকে কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েলের উপর। গত ১৮ জুন সিয়া এবং তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরী মিলে কেতনকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন। পুলিশের সামনে গিয়ে সিয়া বলেন, কেতন পা পিছলে পড়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তে উঠে আসে খুনের বিষয়টি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তদন্ত চলাকালীন সিয়ার সোশাল মিডিয়াতেও নজরদারি চালিয়েছে পুলিশ। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, কেতনকে খুন করার পর লোকদেখানো আবেগী পোস্ট করেছিলেন সিয়া। ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, “আমার জন্মদিনে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেলে। আমাদের বিয়ের মাত্র কয়েকদিন বাকি ছিল। আজও বুঝি না কেন তুমি এমন করলে?এই প্রশ্নের জবাব তো আমি কোনওদিন পাব না। আমি তো তোমাকে এত ভালোবাসতাম, তবু কেন চলে গেলে? শান্তিতে ঘুমাও।” এখানেই শেষ নয়। আরেকটি পোস্টে সিয়া লেখেন, “আমার হৃদয় জানে তুমি এখানেই রয়েছ। প্লিজ ফিরে এসো।”

আপাতত সিয়া এবং চেতন দু’জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, কেতনের বাবা বিশাল আগরওয়াল বলেন হবু স্বামীর মৃতদেহ দেখেও সিয়ার মধ্যে কোনও দুঃখের চিহ্ন ছিল না। সিয়ার পরিবার জোর করেই এই বিয়ে দিতে চেয়েছিল। পুত্রহারা বিশালের আর্তনাদ, বিয়ে করবে না বললেই তো হত। এত ক্ষতি করার কী ছিল? একমাত্র ছেলের হত্যাকারীদের চরম শাস্তি চাইছেন বিশাল। উল্লেখ্য, আগামী নভেম্বরে বিয়ের কথা ছিল সিয়া-কেতনের। তার জন্য ১৭ কোটি টাকা দিয়ে প্রাসাদও বুক করা হয়েছিল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.