ব্যাপক দুর্নীতি মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) লড়কি বহিন প্রকল্পে! দেখা যাচ্ছে, ১০ জন ভাতাভোগী মহিলার মধ্যে ৪ জনের নামই ‘ভুয়ো’। সব মিলিয়ে বাদ পড়েছে ৯২ লক্ষ উপভোক্তার নাম! এর মধ্যে ২৯ হাজার নাম পুরুষদের! সম্প্রতি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর অন্নপূর্ণা প্রকল্পেও পুরুষ উপভোক্তার নাম পাওয়া গিয়েছে। এবার মহারাষ্ট্রেও একই দুর্নীতির খোঁজ মিলল।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা যাচ্ছে, মোট ২ কোটি ৪৩ লক্ষ উপভোক্তার মধ্যে ৯২ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। অযোগ্যদের মধ্যে রয়েছে ২৯ হাজার পুরুষের নামও! যা রয়েছে চর্চায়। ঘনাচ্ছে বিতর্ক।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, লড়কি বহিন নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। গত বছর জানা গিয়েছিল, মহিলাদের জন্য বরাদ্দ ভাতা পেয়েছেন ১৪ হাজারেরও বেশি পুরুষ! শুধু তাই নয়, অযোগ্য হয়েও মাসের পর মাস ভাতা পেয়েছেন অন্তত ২৬ লক্ষ। এবার সেই সংখ্যা আরও বাড়ল।
বাংলার ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে’র অনুসরণে মধ্যপ্রদেশে ‘লাডলি বহেনা’ প্রকল্প এনেছিল বিজেপি। সেই মাস্টারস্ট্রোকেই মধ্যপ্রদেশে বাজিমাত করে গেরুয়া শিবির। তাই বিধানসভা ভোটের বৈতরণী পার হতে ‘লাডলি বহেনা’র মতো করে মহারাষ্ট্রে ‘মাঝি লড়কি বহিন’ প্রকল্প শুরু করে মহাজুটি। ঘোষণা হয়, ২১ থেকে ৬৫ বছরের মহিলাদের মাসে মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেবে সরকার। ২০২৪ সালের জুন মাস থেকে শুরু হয় এই প্রকল্প।
বাংলার গত সরকারের আমলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ঘিরেও নানা অভিযোগ উঠেছে। পুরুষরা এই প্রকল্পের অন্যায্য সুবিধা নিচ্ছেন বলে দাবি উঠেছিল। বিজেপি সরকার আসার পর শুরু হয় অন্নপূর্ণা প্রকল্প। কিন্তু দিনের পর দিন যেভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষরা পেয়ে শ্রীঘরে গিয়েছেন, অন্নপূর্ণা যোজনার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। এবার মহারাষ্ট্রেও দেখা গেল একই ছবি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা