Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Maharashtra Shah Rukh Khan

শাহরুখকে নোটিস দিয়েও ক্ষান্ত নন, মুম্বইয়ে ফের হইচই ফেলে দিয়ে বিরাট কাণ্ড ‘সিংহম’ তুখারামের

মহারাষ্ট্রের 'স্বাস্থ্য' ফেরাতে রীতিমতো আদাজল খেয়ে নেমেছেন তুখারাম মুন্ডে নামে এই আমলা। মহারাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করবেন না, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তুখারাম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৬, ১৫:৪৬

options
link
শাহরুখকে নোটিস দিয়েও ক্ষান্ত নন, মুম্বইয়ে ফের হইচই ফেলে দিয়ে বিরাট কাণ্ড ‘সিংহম’ তুখারামের zoom
মহারাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করবেন না, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তুখারাম।
Advertisement

বাইরে জমকালো জাঁকজমক, ঝাঁ-চকচকে পরিবেশ। থরে থরে সাজানো লোভনীয় সব খাবার। কিন্তু যে রান্নাঘর থেকে ওই সব খাবার তৈরি হয়ে পাতে আসছে, সেখানকার অবস্থা দেখলে গুলিয়ে উঠবে গা! থিকথিক করছে মাছি, কিলবিল করছে জ্যান্ত আরশোলা, চারপাশ ভেসে যাচ্ছে উপচে পড়া পচা নোংরায়। চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের অভিযোগে মহারাষ্ট্রের একাধিক নামজাদা রেস্তরাঁ, ফুড জয়েন্ট এবং ক্লাবের ফুড লাইসেন্স বাতিল করল সে রাজ্যের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। নেপথ্যে অবশ্য ভাইরাল হয়ে যাওয়া সিংহম তুখারাম মুন্ডে।

মহারাষ্ট্রের ‘স্বাস্থ্য’ ফেরাতে রীতিমতো আদাজল খেয়ে নেমেছেন তুখারাম মুন্ডে নামে এই আমলা। কখনও ‘ভেজাল’ পনিরের উপর নিষেধাজ্ঞা বসাচ্ছেন, কখনও কেড়ে নিয়েছেন ডমিনোজ-পিজ্জা হাটের মতো বিখ্যাত খাবারের দোকানের লাইসেন্স। তাঁর কড়া শাসনের কোপ পড়েছে স্বয়ং শাহরুখ খানের উপরেও। কিং অফ রোম্যান্সকে আইনি নোটিস ধরিয়েছেন। তবে এখনও চলছে তাঁর ‘দাবাং’ মোড। একসঙ্গে ১৩টি রেস্তরাঁর লাইসেন্স বাতিল করেছেন তিনি। তার মধ্যে রয়েছে একাধিক বিখ্যাত রেস্তরাঁ।

Advertisement

লাইসেন্স বাতিলের এই তালিকায় যেমন রয়েছে বিশ্বখ্যাত ফাস্টফুড চেন ‘ম্যাকডোনাল্ডস’ এবং ‘কেএফসি’, তেমনই রয়েছে দক্ষিণ মুম্বইয়ের অতি পরিচিত ‘বম্বে প্রেসিডেন্সি রেডিও ক্লাব’। ১৩টিরও বেশি প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক লাইসেন্স সরাসরি স্থগিত বা সাসপেন্ড করা হয়েছে। ৭১টি রেস্তরাঁকে অনিয়ম শুধরে নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে ৮৯টি রেস্তরাঁয় ‘হানা’ দিয়েছিলেন তুখারাম এবং তাঁর সঙ্গী আধিকারিকরা। বেনিয়ম দেখামাত্র ব্যবস্থা নিয়েছেন।

মহারাষ্ট্রের জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে আপস করবেন না, সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তুখারাম। তাই বলি তারকাদের নোটিস দিতেও দ্বিধা করেননি। তারপর থেকে জনতার দরবারে বীরের সম্মান পেয়েছেন তুখারাম। অনেকেই চাইছেন, এই ‘নো-ননসেন্স’ আদর্শ নিয়ে রাজনীতির ময়দানে আসুন এই আমলা। কিন্তু তুখারামের মতে, আইএএস অফিসার হিসাবে যেটুকু তাঁর করণীয়, সেটুকুই করবেন। ২১ বছরের মধ্যে ২৫ বার বদলি হয়েছেন তুখারাম। সেটার মূল কারণ হল তাঁর ‘অতিসক্রিয়তা’। কেরিয়ারের শুরু থেকে যেখানে পোস্টিং পেয়েছেন, সর্বত্রই পদক্ষেপ করেছেন অন্যায় এবং নিয়মভঙ্গ নিয়ে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.