Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Maharashtra

২৮ বছর পর বৃহন্মুম্বই হাতছাড়া ঠাকরেদের! কাকার সঙ্গে হাত মিলিয়েও সেই তিমিরেই অজিত

শক্তি হারিয়েও এখনও লড়ার জায়গায় রয়েছেন ঠাকরে ভাইরা। কিন্তু উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে থেকেও রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত মুছে যাওয়ার মুখে একনাথ শিণ্ডে এবং অজিত পাওয়ার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৮:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৮:৩৪

options
link
২৮ বছর পর বৃহন্মুম্বই হাতছাড়া ঠাকরেদের! কাকার সঙ্গে হাত মিলিয়েও সেই তিমিরেই অজিত zoom

অবশেষে, ২৮ বছর পর ধুলিস্যাৎ ঠাকরেগড়। মারাঠি অস্মিতায় শান দিয়ে বৃহন্মুম্বই পুর কর্পোরেশনের দখল নিল বিজেপি। অন্যদিকে, মহাজুটি ছেড়ে কাকা শরদের হাত ধরেও পুনের গড় ধরে রাখতে ব্যর্থ অজিত পাওয়ার। মহারাষ্ট্রের ২৯ পুরসভার লড়াই দেখিয়ে দিয়েছে দেশের অর্থনৈতিক রাজধানীর দখল থাকবে বিজেপির হাতে। শক্তি হারিয়েও এখনও লড়ার জায়গায় রয়েছেন ঠাকরে ভাইরা। কিন্তু উপমুখ্যমন্ত্রীর পদে থেকেও রাজ্য রাজনীতিতে কার্যত কোণঠাসা একনাথ শিণ্ডে এবং অজিত পাওয়ার।

মুম্বই পৌরসভায় বিজেপির ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মহারাষ্ট্রের চানক্য হিসেবে উঠে এসেছেন। বিএমসিতে মোট ২২৭টি ওয়ার্ড রয়েছে। এর আগে ২০১৭ সালের নির্বাচনে বিজেপি ৮২টি আসনে জেতে। সেটাই ছিল বিএমসি-র নির্বাচনে বিজেপি সেরা ফলাফল। এবার সেই ফলাফল ছাপিয়ে গিয়েছে বিজেপি। ফড়নবিশের নেতৃত্বে বিজেপি ইতিমধ্যেই বিএমসিতে ৯০-এর বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে। জোটসঙ্গি একনাথ শিন্ডের শিব সেনা ২৮টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। মহাজুটি মোট ১১৪টি আসনের এগিয়ে গিয়েছে।

Advertisement

কাকা শরদ পাওয়ারের দলে ভাঙন ধরিয়ে বেরিয়ে এসে বিজেপি-র হাত ধরেন অজিত। এমনকি কাকার দলের প্রতীকও ছিনিয়ে নেন তিনি। এরপরেও, পিম্প্রি দখলে রাখতে কাকার হাত ধরেই লড়েন অজিত।

অন্যদিকে, লড়াইয়ের চেষ্টা করেছেন ঠাকরে ভাইরা। ২০১৭ সালে তারা ৮৪ আসনে জিতেছিল। এবার সেই সংখ্যা কমে হয়েছে ৬৩। হেরে গেলেও বিএমসি নির্বাচনের ফলাফল থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, দলীয় প্রতীক এবং কর্মীদের একটি বড় অংশ হারানো সত্ত্বেও, বালাসাহেব ঠাকরের উত্তরাধিকার এখনও শেষ হয়নি। ২০২২ সালে বালাসাহেব ঠাকরে শিব সেনা দ্বিখণ্ডিত হয়। তারপর এটাই বিএমসি-র প্রথম নির্বাচন। প্রায় আট বছর পরে ভোট হল এই কর্পোরেশনে। বিশ্লেষকদের মতে, জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে বিজেপি প্রমাণ করল খণ্ডিত সেনা (উদ্ধব শিবির) এখন আর ‘কিং মেকারে’র জায়গায় নেই। এবং বিএমসি-র দখলও এবার চলেছে বিজেপি জোট ছিনিয়ে নিয়েছে।

পাশাপাশি, গেরুয়া ঝড়ে উড়ে গেল এনসিপি (শরদ) এবং এনসিপি (অজিত পাওয়ার)-এর জোট। কাকা শরদ পাওয়ারের দলে ভাঙন ধরিয়ে বেরিয়ে এসে বিজেপি-র হাত ধরেছিলেন অজিত। এমনকি কাকার দলের প্রতীকও ছিনিয়ে নেন তিনি। এরপরেও, পিম্প্রি দখলে রাখতে কাকার হাত ধরেই লড়েন অজিত। সেই জোটকেও ঝড়ে উড়িয়ে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।

পুণের ১৬৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ৪৩টি, কংগ্রেস ৭টি, এনসিপি (অজিত পাওয়ার) ৫টি এবং এনসিপি (শরদ পাওয়ার) ৩টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। পিম্প্রি-চিঞ্চওয়াড় পৌরসভায় ১২৮টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৭০টি ওয়ার্ডে, এনসিপি ৪০টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। পশ্চিম মহারাষ্ট্রের অন্যান্য শহর, যেমন কোলাপুর, সাতারা, সোলাপুর এবং সাঙ্গলি পৌরসভাতেও বিজেপি শীর্ষস্থান দখল করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.