সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কারচুপি হয়েছে ভোটে। তাই শপথ নেবেন না মহা বিকাশ আঘাড়ির নবনির্বাচিত বিধায়করা। এমনটাই জানালেন শিব সেনার উদ্ধব শিবিরের নেতা আদিত্য ঠাকরে। শনিবারই মহারাষ্ট্র বিধানসভায় তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। এই অধিবেশনেই শপথ নেওয়ার কথা সদ্য নির্বাচিত বিধায়কদের। কিন্তু সেই অধিবেশনে থাকছেন না মহা বিকাশ আঘাড়ির বিধায়করা।
আদিত্য ঠাকরে বলেছেন, ”আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমাদের বিজয়ী বিধায়করা কেউ শপথ নেবেন না। আমাদের সন্দেহ, ইভিএমে কারচুপির। আর তাই প্রতিবাদস্বরূপ শপথগ্রহণ করব না। গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে।” প্রসঙ্গত, ২৮৮ সদস্যের নবগঠিত মহারাষ্ট্র বিধানসভার তিন দিনের এই বিশেষ অধিবেশনে প্রোটেম স্পিকার কালিদাস কোলাম্বকারের উপস্থিতিতে বিধায়কদের শপথগ্রহণ ছাড়াও স্পিকার নির্বাচন, নতুন সরকারের আস্থাভোট, রাজ্যপালের ভাষণ ইত্যাদি কর্মসূচি রয়েছে। শুক্রবারই সিনিয়র বিজেপি বিধায়ক কোলাম্বকারকে প্রোটেম স্পিকার হিসেবে বেছে নেন রাজ্যপাল সিপি রাধাকৃষ্ণন।
হরিয়ানা হোক বা মহারাষ্ট্র, সম্প্রতি নির্বাচনে হারের পর ইভিএমের দিকে আঙুল তুলেছে বিরোধী শিবির। আগেও এই বার বার হারের কারণ হিসেবে ইভিএমকে দায়ী করা হয়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে এহেন অভিযোগ পত্রপাঠ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রতিবারই। মহারাষ্ট্রের ক্ষেত্রে কংগ্রেসের প্রশ্ন ছিল, প্রাথমিক ভোটের হার ও ভোটগণনার আগে চূড়ান্ত ভোটের হারের মধ্যে তফাত রয়েছে প্রায় ৭৬ লক্ষ ভোটের। প্রথমে জানা গিয়েছিল ভোট পড়েছে ৫৮.২২ শতাংশ। পরে জানানো হয় ভোট পড়েছে ৬৬.০৫ শতাংশ। অর্থাৎ আগে ও পরে প্রায় ৭.৮৩ শতাংশের পার্থক্য। এই অভিযোগেই সরব থেকে এবার শপথগ্রহণ করতে রাজি হলেন না বিরোধী জোটের বিধায়করা।
সর্বশেষ খবর
-
পরীক্ষা দিতে যাচ্ছেন, অথচ একবর্ণও পড়া হয়নি! এমন স্বপ্ন তাড়া করলে জানুন নেপথ্য কারণ
-
‘বন্দে মাতরমের’ অপমান শাস্তি, হতে পারে কারাদণ্ড, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে তৈরি হল আইন!
-
রাজ্যে কয়েক হাজার কর্মসংস্থান! পুরসভা ও সমবায়তে নিয়োগ করবে পিএসসি, জারি বিজ্ঞপ্তি
-
পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি তৈরিতে মানতে হবে একাধিক নিয়ম! কড়া বিধি আনার ঘোষণা দিলীপের
-
মেসিকে আনার নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! এবার কাঠগড়ায় বামেরা, তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা