Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Madhya Pradesh

মন্দিরের জন্য দেয়নি অনুদান, মধ্যপ্রদেশে দলিত পরিবারকে লাঠি, রড দিয়ে মারধর!

এই ঘটনায় গুরুতর জখম হন ওই দলিত পরিবারের পাঁচজন সদস্য।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ২০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৫, ২০২৬, ২০:৩০

options
link
মন্দিরের জন্য দেয়নি অনুদান, মধ্যপ্রদেশে দলিত পরিবারকে লাঠি, রড দিয়ে মারধর! zoom
মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর জেলার মহারাজগঞ্জ গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।
Advertisement

মন্দিরের জন্য চাহিদা মতো অনুদান না দেওয়ায় দলিত পরিবারের সদস্য়দের ব্যাপক মারধরের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ছাতারপুর জেলার মহারাজগঞ্জ গ্রামে। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হন ওই দলিত পরিবারের পাঁচজন সদস্য।

অভিযোগ, এদিন স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি মন্দিরের নামে গম সংগ্রহ করছিলেন। সেই মতো ওই দলিত পরিবারের বাড়িতে গিয়েও নির্দিষ্ট পরিমাণ গম চাওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা জানান, এত গম দেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। এরপরই তাঁদের লাঠি, রড, ইট ও পাথর দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই হামলা থেকে রেহাই পাননি মহিলা ও শিশুরাও। মারধরের ঘটনার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ভিডিওতে অভিযুক্তদের হামলা চালাতে দেখা যাচ্ছে।

Advertisement

পরিবারের বক্তব্য, তাদের আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তাঁরা মন্দিরের জন্য নিজেদের সামর্থ্য মতো কিছু গম দিয়েছিলেন। কিন্তু তা নিতে রাজি হননি অভিযুক্তরা। উলটে যে পরিমাণ গম চাওয়া হয়েছে সেই পরিমাণ গমই তাঁদের দিতে হবে বলে জানানো হয়। চাহিদা মতো অনুদান দিতে না পারায় ওই দলিত পরিবারের সদস্যদের ব্যাপক মারধর করা হয়।

এই ঘটনার পর দলিত পরিবারের পাঁচজন সদস্য জখম হয়েছেন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় শ্যাম পটেল, হারদয়াল পটেল, কৃপাল পটেল, রাজা ভাইয়া পটেল, রামস্বরূপ পটেল, ভগবতদয়াল পটেল-সহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একজন পলাতক। তাঁদের বিরুদ্ধে ওই বাড়িতে থাকা সব গম নিয়ে চম্পট দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মন্দিরের জন্য গম সংগ্রহকে কেন্দ্র করেই এই বিবাদ শুরু হয়েছে। পরে এই নিয়ে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যদিও ওই দলিত পরিবার পুলিশের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট নয়। তাঁদের অভিযোগ মন্দিরের অনুদানের নামে সংগঠিতভাবে জাতিগত চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া, এই অনুদান সংগ্রহ ও চাপ সৃষ্টির সঙ্গে যুক্ত কমিটির বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.