Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
Indore

ইন্দোরকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা কত? বিতর্কের মধ্যেই প্রশ্ন এড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মোহন

কী বললেন তিনি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ২০:৫০

options
link
ইন্দোরকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা কত? বিতর্কের মধ্যেই প্রশ্ন এড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মোহন zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতের পরিচ্ছন্নতম শহর ইন্দোরে নলবাহিত জল পান করে মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। এই ঘটনায় দেশেজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, দূষিত জল পান করে এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২০ জনের। কিন্তু মধ্যপ্রদেশ সরকার হাই কোর্টে যে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে সেখানে মাত্র চারজনের মৃত্যুর কথা স্বীকার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই মৃতের সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন এড়ালেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব।

বুধবার মোহন বলেন, “মানুষের এখন সংকটে পড়েছেন। তাই সরকার এখন পরিসংখ্যানে যাবে না। একজন ব্যক্তির মৃত্যুও আমাদের কাছে বেদনাদায়ক। যাঁরা নিজেদের নাম নিবন্ধন করেছেন, তাঁদের ত্রাণ বিলি করা হবে। সরকার সকলের পাশে আছে।” তিনি আরও বলেন, “প্রশাসন ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে মৃতের সংখ্যা গণনা করে, তবে সেই সংখ্যাটি এখন চূড়ান্ত নয়।”

Advertisement

উল্লেখ্য, ইন্দোরের ভগীরথপুরা এলাকায় নলবাহিত জল পান করে একসঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়েন অসংখ্য মানুষ। মৃতদের মধ্যে রয়েছে একরত্তি শিশুও। জানা গিয়েছে, নলবাহিত জলে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। জলের স্বাদও ছিল কটু। কিন্তু অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। কিন্তু কী কারণে পানীয় জলে বিষক্রিয়া হল? পুর কমিশনার দিলীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, এলাকার মূল জল সরবরাহের পাইপলাইনে একটি লিকেজ শনাক্ত করা গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সেই পাইপলাইনের কাছেই সম্প্রতি একটি শৌচাগার নির্মাণ করা হয়। সেখান থেকেই পানীয় জলে বিষক্রিয়া হয়েছে। বিজেপিশাসিত রাজ্যটির এই শহরের বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কেন এত বেশি কর দেওয়ার পরও এই পরিস্থিতিতে পড়তে হল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.