অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তথা কালীঘাট তৃণমূলের আর্জিকে উপেক্ষা করে এনসিপিআই সাংসদদের পাশেই দাঁড়ালেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। তৃণমূল ছেড়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ ২০ জন সাংসদ এনসিপিআইতে যোগ দেওয়ার পরও স্বীকৃতি না মেলায় এনিয়ে বেশ জটিলতা ও রাজনৈতিক তরজা তৈরি হয়। স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের বক্তব্য জানতে চেয়েছিলেন ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে। কিন্তু তাঁরা আরও সময় চেয়ে আবেদন করেন স্পিকারের কাছে। সেই আবেদন মঞ্জুর করে লোকসভার সচিবালয়ের তরফে ২০ জন এনসিপিআই সাংসদকে আরও তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হল। অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁরা জবাব দেওয়ার জন্য সময় পেলেন।
মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার, যিনি নিজেও এনসিপিআই-তে নাম লিখিয়েছেন, তিনি জানিয়েছেন, আরও ২১ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। লোকসভার সচিবালয় তা মেনে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তবে বিদ্রোহী সাংসদদের আরেকটি সূত্রের দাবি, সবাই ২১ দিন নয়, কেউ কেউ ১৪ দিনও সময় চেয়েছিলেন। তবে লোকসভা সচিবালয় থেকে তিন সপ্তাহই সময় দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে দলের ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন ২০ জন সাংসদ। যোগ দেন ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে। তাঁরা এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথা জানান। সেইমতো সংসদে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়দের আসন অদলবদলও হয়। কিন্তু এখনও এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে তাঁরা কেউ স্বীকৃতি পাননি। এনিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে আর্জি জানান তাঁদের নিয়ে যেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাতে সাড়া না পেয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ২০ সাংসদকে নোটিস পাঠিয়ে তাঁদের জবাব তলব করেছিলেন স্পিকার। ১ তারিখের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু আরও খানিকটা সময় চেয়েছিলেন সুদীপ, কাকলিরা।
মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার, যিনি নিজেও এনসিপিআই-তে নাম লিখিয়েছেন, তিনি জানিয়েছেন, আরও ২১ দিন সময় চেয়ে আবেদন করেছিলেন। লোকসভার সচিবালয় তা মেনে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তবে বিদ্রোহী সাংসদদের আরেকটি সূত্রের দাবি, সবাই ২১ দিন নয়, কেউ কেউ ১৪ দিনও সময় চেয়েছিলেন। তবে লোকসভা সচিবালয় থেকে তিন সপ্তাহই সময় দেওয়া হয়েছে। আসলে তৃণমূল ত্যাগের পর থেকে নিজেদের সংসদীয় এলাকাতেও কিছুটা ক্ষোভের মুখে পড়েছেন সাংসদরা। খাতায়-কলমে এখনও তাঁরা তৃণমূল, অথচ কাজে ‘স্বীকৃতিহীন’ এনসিপিআই। এমন ভাসমান অবস্থায় যাকে বলে – ‘না ঘরকা না ঘাটকা’ পরিস্থিতিতে ২০ সাংসদ। কিন্তু তাতেই জটিলতা বেড়েছে। এখন জবাব দেওয়ার জন্য আরও সময় পেয়েছেন তাঁরা। পুজোর আগে কি তাঁরা স্বীকৃতি পাবেন? সেই প্রশ্ন উঠছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
শিলিগুড়ি থেকে দক্ষিণ কোরিয়ায় পাড়ি দুর্গার, কীভাবে সোশাল মিডিয়া ঘোরাল বাংলার প্রতিমাশিল্পীর ভাগ্য?
-
জুতো খুলেই আসনে, ‘হনুমান অংশ’ দেখলেন মুসলিম দর্শক, নিম করোলি বাবার মাহাত্ম্যে ‘রাজনীতিমুক্ত ভারত’!
-
ফের আমেরিকায় বন্দুকবাজের তাণ্ডব! ভরা রাস্তায় চলল এলোপাথাড়ি গুলি, মৃত ৩
-
নিজের কেন্দ্রেই ডিম-হামলা, ‘চোর’ স্লোগান, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা চেয়ে এবার শাহের বাড়িতে সৌগত
-
আহমেদাবাদের ‘দাদাগিরি’ নয়, অলিম্পিক হবে অন্য রাজ্যে? মুখ্যমন্ত্রীর নতুন ঘোষণায় জোর চর্চা