কী বলছে কমিশন
বলেছি ক্লাস ২ অফিসার দিন। বারবার চিঠি দিয়েছি। তবুও মাত্র ৮০ জন অফিসার দিয়েছে। বাকি কম পদমর্যাদার। এসডিএম পদমর্যাদার অফিসার চেয়েও পাইনি। তাই মাইক্রো অবজার্ভার নিয়োগ। আমরা আইন মেনে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছি। সলিসিটার জেনারেলের দাবি উড়িয়ে পালটা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যা সংখ্যা সেই হিসেবেই এসডিএম দিয়েছি। প্রধান বিচারপতি বলেন, রাজ্য সহযোগিতা করলে মাইক্রো অবজার্ভারের প্রয়োজন নেই। কোনও বৈধ ভোটার বাদ যাক আমরা চাই না।
'ইলেকশন কমিশন হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন হয়ে গিয়েছে'
বিজেপির লোকজনকে মাইক্রো অবজার্ভার করে পাঠাচ্ছে। তাঁরা নাম ডিলিট করছে। ইলেকশন কমিশন হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন হয়ে গিয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ দিচ্ছে।
বিপক্ষের আইনজীবী সঠিক কথা বলছেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ায় আমরা আধিকারিক দিয়েছি। ৫৯ লাখের নাম বাদ। আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনও সুযোগ পায়নি। শুধুমাত্র বাংলার জন্য মাইক্রো অবজার্ভার। আমার শেষ আবেদন, মাইক্রো অবজার্ভারদের প্রত্যাহার করুন। গণতন্ত্রকে বাঁচান।
কী বললেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত
দৃষ্টি আকর্ষণের পর প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জিজ্ঞাসা করেন, ওই বিষয়ে কি নতুন মামলা হয়েছে? আইনজীবী জানান, তালিকায় ৩৬ এবং ৩৭ নম্বরে নতুন মামলা রয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, শুনানি হবে। নাম বিভ্রাটে কীভাবে ভোটার হেনস্তা, জানতে চাইলেন প্রধান বিচারপতি। মমতার আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান বলেন, কারও পদবি গাঙ্গুলী, রে বা চ্যাটার্জি। ২০০২ ভোটার তালিকা বাংলায় রয়েছে। ইংরাজি তর্জমায় বানান বদলে গিয়েছে। তাই এই বিভ্রাটকে লজিক্যাল ডিসক্রিপ্যান্সির তালিকায় রাখা যায় না।
সওয়াল করছেন মমতার আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান
লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি তথা তথ্য অসংগতির তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েত, বিডিও অফিস তথা স্থানীয় সরকারি অফিসে টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হোক। শুনানির জন্য মাত্র ৪ দিন বাকি। ৬৩ লক্ষের শুনানি বাকি। ভেরিফিকেশন কীভাবে হবে? শেষ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রায় কোটি মানুষ অসংগতির তালিকায়।
পঞ্চায়েতের সংশাপত্র, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিচ্ছে না কমিশন। কমিশনকে নির্দেশ দিন, কোথায় অসংগতি, কী কারণ তা যেন ভোটারদের জানানো হয়। কমিশনের ওয়েবসাইটেই তা করা যেতে পারে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে মামলা, সওয়াল করবেন দিদি!
কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুরু হবে মামলা। সু্প্রিম কোর্টে শুরু হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হচ্ছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে। একটি মামলা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। সেই মামলা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে ১ নম্বর কোর্টে শুনানির তালিকায় ২১ নম্বরে রয়েছে। এই একই বিষয়েই অন্য একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। সেই মামলা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এক নম্বর কোর্টে শুনানির তালিকায় ৩৭ নম্বরে রয়েছে। কবি জয় গোস্বামীর এই সংক্রান্ত মামলা রয়েছে শুনানির তালিকায় ৩৬ নম্বরে।
অগ্রাধিকার তালিকায় নেই মমতার মামলা!
সূত্রের খবর, অগ্রাধিকার তালিকায় নেই মমতার মামলা।
সকাল সাড়ে ১০টায় মুখ্যমন্ত্রীর মামলাটি শুনানিক্রমে ৩৭ নম্বরে থাকলেও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শুনানির কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু প্রধান বিচারপতির এজলাস বসার পর নতুন শুনানিক্রমে অগ্রাধিকার তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর করা এসআইআর সংক্রান্ত মামলাটি নেই।
বাদ দেওয়া যাবে না কোনও ভোটারের নাম, সুপ্রিম কোর্টে আবেদন মমতার
এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলার শুনানি হওয়ার কথা বুধবার। তাতে ইন পার্সন বা জনতার হয়ে নিজে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তবে তার আগে তিনি শীর্ষ আদালতে আরও একটি মামলা দায়ের করলেন। নয়া মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জি, অবিলম্বে ভোটারদের নাম বাতিলের প্রক্রিয়াটি বন্ধ করা হোক। লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি অর্থাৎ স্রেফ নামের বানানের জন্য যাঁদের শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে, সেসব নোটিস তুলে নেওয়া হোক। আবেদনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, এখনও ৬০ লক্ষ শুনানি বাকি। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। তাই অযথা নামের বানান সংক্রান্ত জটিলতা এড়ানো হোক। এছাড়া তৃণমূল সুপ্রিমোর আরও আবেদন, যে সব ভোটারের বিরুদ্ধে ফর্ম-৭ জমা পড়েছে, তাঁদের নাম অনলাইনে প্রকাশ করা হোক। পশ্চিমবঙ্গ থেকে সব মাইক্রো অবজারভারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হোক বলেও আবেদন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
বসল প্রধান বিচারপতির এজলাস
বসল প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের এজলাস। সূত্রের খবর, শুরুতে পূর্ব-নির্ধারিত কয়েকটি মামলার শুনানি হবে। তার পরেই উঠবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এসআইআর মামলা।
আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে। একটি মামলা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। সেই মামলা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে ১ নম্বর কোর্টরুমে শুনানির তালিকায় ২১ নম্বরে রয়েছে। এই একই বিষয়েই অন্য একটি পিটিশন দাখিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। সেই মামলা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এক নম্বর কোর্টে শুনানির তালিকায় ৩৭ নম্বরে রয়েছে। কবি জয় গোস্বামীর এই সংক্রান্ত মামলা রয়েছে শুনানির তালিকায় ৩৬ নম্বরে।
মমতার পাশে উদ্ধবসেনা
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়াল শিব সেনা (উদ্ধব ঠাকরে)। দলের নেত্রী প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী বলেন, "যেভাবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ অন্যান্য রাজ্যে এসআইআর হচ্ছে তা একেবারেই ঠিক নয়। গোটা প্রক্রিয়া একতরফা। বিজেপি যা বলছে কমিশন তাই করছে। ইডি, সিবিআইও তাই করছে। আমি মমতার বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে আছি। তিনি আইনি পথে লড়াই করছেন।
মাইক্রো অবজার্ভারদের প্রত্যাহারের আবেদন
পশ্চিমবঙ্গ থেকে মাইক্রো অবজার্ভারদের প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়া হোক। মমতার আরজি অবজার্ভাররা শুনানিতে অংশগ্রহণ বা যাচাই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মতো বিষয়ে যেন কোনও আইনি ক্ষমতা ব্যবহার না করেন।
তাঁর আরও দাবি, যাচাই প্রক্রিয়ার সময় রাজ্যের জারি করা নথি গ্রহণ করতে কমিশনকে নির্দেশ দিক সুপ্রিম কোর্ট। যে সব ক্ষেত্রে অন্য রাজ্যের নথি যাচাইয়ে ৫ দিনের বেশি সময় লাগছে, সে সব ক্ষেত্রে স্থানীয় ইআরও-কে মামলা নিষ্পত্তির অনুমতি দিক কমিশন।
সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছলেন মমতা
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে নিরাপত্তা উপদেষ্টা মনোজ বর্মা। এজলাসে দাঁড়িয়ে ইতিহাস গড়ার পথে মুখ্যমন্ত্রী! নিজের দায়ের করা মামলায় নিজেই সওয়াল করবেন মুখ্যমন্ত্রী। আপাতত তাঁর পরনে আইনজীবীদের পোশাক কালো গাউন বা শামলা নেই। গলায় রয়েছে একটি কালো চাদর।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইট মোতাবেক, আজ প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী, বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে এসআইআর মামলার শুনানি। সেখানেই বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) বৈধতা তথা মানুষের হয়রানির কথা 'পার্টি ইন পার্সন' হিসেবে তুলে ধরবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’ জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নামে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে একটি গেট পাস ইস্যু করা হয়েছে।
এসআইআর নিয়ে একাধিক মামলা
বলে রাখা ভালো, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি এই মর্মে আরও একটি মামলা করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং সাংসদ দোলা সেন। সেই মামলা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এক নম্বর কোর্টে শুনানির তালিকায় ২১ নম্বরে রয়েছে। মমতার মামলা প্রধান একই কোর্টে শুনানির তালিকায় ৩৭ নম্বরে রয়েছে। কবি জয় গোস্বামীর এই সংক্রান্ত মামলা রয়েছে শুনানির তালিকায় ৩৬ নম্বরে।
কালো গাউন পরে সুপ্রিম কোর্টে মমতা!
SIR নিয়ে উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। জল গড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। প্রয়োজনে আদালতে দাঁড়িয়ে সওয়াল করবেন বলেও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো আজ বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর শুনানিতে উপস্থিত তিনি। এদিন কালো গাউন পরে আইনজীবীর ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে। গতকাল রাত থেকেই সোশাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালো গাউন পরা ছবি প্রকাশ করে তুমুল ঝড় তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।