সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গ্রামের প্রান্তে লিভইন পার্টনারের সঙ্গে থাকছিলেন এক ব্যক্তি। বাইরে থেকে বাড়ির দরজা আটকে ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল একদল দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। সেই আগুনে ঘুমের মধ্যে জীবন্ত পুড়ে মৃত্যু যুগলের। শুক্রবার ভোররাতে ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর তিরুভান্নামালাই জেলার চেঙ্গামে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুগলের নাম পি শক্তিভেল ও এস অমৃতাম। তাঁদের বয়স ৪০ বছর। শক্তিভেল পেশায় কৃষক। বছর তিনেক আগে শক্তিভেলের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী তামিলারাসির বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাঁদের দুই ছেলে-মেয়ে রয়েছে। সন্তানদের নিয়ে বেঙ্গালুরুতে থাকেন তামিলারাসি। অন্যদিকে, কয়েক বছর আগে এস অমৃতামেরও বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাঁরও আগের পক্ষের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দু’জনের বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ার পরই, তাঁরা প্রেমে পড়েন। গ্রামের এক প্রান্ত তিন একর জায়গা লিজে নিয়ে একটি ঘর বানিয়ে সেখানেই থাকতে শুরু করেন যুগল।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু থেকে চেঙ্গামে বাবার সঙ্গে দেখা করতে আসেন শক্তিভেলের মেয়ে। রাতের বেলায় তিনি ফিরে যান। তারপর শুক্রবার সকালে স্থানীয়রা পোড়া গন্ধ পান। ছুটে গিয়ে দেখেন পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে শক্তিভেল বাড়িটি। সেখানেই পড়ে রয়েছে যুগলের পোড়া দেহ। খবর ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ডাকা হয় ফরেন্সিক দলকেও। ঘটনাস্থলেই দেহগুলির ময়নাতদন্ত করা হয়। স্থানীয় থানার এক আধিকারিক বলেন, “দু’জনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তাঁরা লিভইন পার্টনার ছিলেন। মৃতদের আগের সম্পর্কের স্ত্রী ও স্বামীকেও সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে।আমরা সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছি।”
সর্বশেষ খবর
-
‘একা হয়ে পড়েছিলাম’, ইডি তলব প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে কেঁদে ভাসালেন নোরা
-
হড়পা বানে মৃত্যুমিছিল, নেপালে একতা চাইছেন ‘ভারতবিদ্বেষী’ বলেন্দ্র! নয়াদিল্লির পাঠানো ত্রাণ নেবেন?
-
যজ্ঞেই শয়তান তাড়ানোর কথা বলে ‘শ্লীলতাহানি’, গয়না নিয়ে উধাও সঙ্গিনী-সহ তান্ত্রিক
-
হড়পা বানে আটকে কৈলাসযাত্রী শিষ্যরা, বিধ্বস্ত নেপালে উদ্ধারকাজে নামতে চান সদগুরু!
-
রাজ্যে উড়ল প্যালেস্তাইনের পতাকা! ‘জাতীয় মর্যাদার সঙ্গে আপস নয়’, কড়া বার্তা শুভেন্দুর