Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Pahalgam Chargesheet

লস্করের ষড়যন্ত্রেই ধর্ম দেখে হত্যা, পহেলগাঁও হামলার আট মাস পরে চার্জশিট, পাঁচ অভিযুক্ত কারা?

লস্করের ট্রিগার হিসাবে কাজ করে টিআরএফ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২০:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫, ২০:০৮

options
link
লস্করের ষড়যন্ত্রেই ধর্ম দেখে হত্যা, পহেলগাঁও হামলার আট মাস পরে চার্জশিট, পাঁচ অভিযুক্ত কারা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার আট মাস পরে আজ, মঙ্গলবার জম্মুর বিশেষ এনআইএ আদালতে চার্জশিট পেশ করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। চার্জশিটে সাত অভিযুক্তের নাম রয়েছে। এর মধ্য পাঁচ ব্যক্তি এবং দুই পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-এ-তইবা এবং রেসিসট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)।

ষড়যন্ত্রে অভিযুক্তদের ভূমিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। ঠিক কীভাবে পহেলগাঁও হামলার ছক কষেছিল লস্কর এবং টিআরএফ তাও উল্লেখ করা হয়েছে। জঙ্গি হামলা বাস্তবায়নে কারা, কীভাবে সাহায্য করেছিল, তাও বলা হয়েছে। ১৫৯৭ পাতার চার্জশিটে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে ভারতের মাটিতে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী হামলার মূলচক্রী লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট। তার সঙ্গী ছিল তিন পাকিস্তানি জঙ্গি সুলেমান শাহ, হাবিব তাহির আকা জিবরান এবং হামজা আফগানি। গত জুলাইয়ে তিন জঙ্গিকেই নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা।

Advertisement

ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অস্ত্র আইন, বেআইনি কার্যকলাপ আইন এবং ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ধারা। উল্লেখ্য, পহেলগাঁও হামলার তদন্ত চালিয়ে গত ২২ জুলাই দুই অভিযুক্ত পারভেজ আহমেদ এবং বসির আহমেদকে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তাঁদের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পারভেজ আর বসিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলাকারীদের পরিচয় জানতে পারে তদন্তকারী সংস্থা।

চলতি বছরের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরান উপত্যকায় সাম্প্রতিক কালের সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী হামলা ঘটে। পর্যটকদের ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা করা হয়। হামলায় প্রাণ হারান ২৫ জন পর্যটক ও এক জন ঘোড়সওয়ার। এর পালটা ৭ মে ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালায়। পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত ন’টি জঙ্গি ঘাঁটিতে আকাশপথে হামলা চালানো হয়। এর জেরে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বেঁধে যায়। শেষ পর্যন্ত ১০ মে দু’দেশের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে উত্তেজনার অবসান ঘটে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.