Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Rohini Acharya

ভোটের টিকিটের লোভে বাবাকে ‘নোংরা’ কিডনি দান! রোহিণীকে বেনজির আক্রমণ লালুপরিবারের

তাঁকে মারতে নাকি জুতো তোলা হয়েছিল!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৫:৪৬

options
link
ভোটের টিকিটের লোভে বাবাকে ‘নোংরা’ কিডনি দান! রোহিণীকে বেনজির আক্রমণ লালুপরিবারের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দল ও পরিবারের সঙ্গে শনিবারই সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন লালুপ্রসাদ যাদবের কন্যা রোহিণী আচার্য। তারপর থেকে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করছেন তিনি। এবার তাঁর অভিযোগ, লালুকে যে কিডনি তিনি দিয়েছিলেন, পরিবারের সদস্যরা তা ‘নোংরা’ বলে অভিহিত করেছেন। শুধু তাই নয়, ভোটের টিকিট পেতেই নাকি বাবাকে তিনি কিডনি দিয়েছিলেন। এমনও অভিযোগ করেছে লালুর পরিবার। 

রবিবার রোহিণী সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, “গতকাল আমাকে অভিশাপ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, আমি নাকি নোংরা এবং আমার নোংরা কিডনি বাবার শরীরে প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। এর জন্য আমি নাকি কোটি কোটি টাকা নিয়েছি। শুধু তাই নয়, ভোটের টিকিট পেতেই আমি নাকি বাবাকে কিডনি দিয়েছিলাম।”

Advertisement

২০২২ সালের ডিসেম্বরে সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে লালুর কিডনি প্রতিস্থাপিত হয়। বাবাকে কিডনি দিয়েছিলেন রোহিণীই। এমনটাই জানা যায়। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে যাদব পরিবারের চতুর্থ সন্তান হিসেবে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেন রোহিণী। যদিও সেই সূচনা সুখকর হয়নি। বিহারের সারন লোকসভা কেন্দ্র থেকে আরজেডির টিকিটে ভোটে দাঁড়ালেও হারতে হয়েছিল।

রোহিণী আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। তিনি সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে মারতে তাঁর দিকে জুতোও তোলা হয়েছিল। যদিও রোহিণী আলাদা করে কারও নাম নেননি। তিনি লিখেছেন, “আমি আমার আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করিনি। সত্যকে বিসর্জন দিইনি। কেবল এই কারণেই আমাকে অপমান সহ্য করতে হয়েছে। গতকাল বাধ্য হয়ে এক অসহায় মেয়ে তাঁর ক্রন্দনরত বাবা-মা এবং বোনেদের ছেড়ে চলে এসেছে। আমাকে অনাথ করে দেওয়া হয়েছে। কোনও পরিবারে যেন কখনই আমার মতো কন্যা-বোন না থাকে।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, লালুর পরিবারে ফাটল অনেকদিন আগেই ধরে গিয়েছিল। কয়েক মাস আগে থেকেই রোহিণীর সঙ্গে দল এবং পরিবারের ফাটল চওড়া হচ্ছিল। নিজের বাবা, ভাই তেজস্বী যাদব-সহ দলের এক্স হ্যান্ডলকে ‘আনফলো’ করে দেন লালুকন্যা। পাশাপাশি, পরিবারের দিকে ছুড়েছিলেন কটাক্ষও। তিনি বাবাকে কিডনি আদৌ দিয়েছিলেন কিনা তা নিয়েও বিতর্ক বাঁধে। যে প্রসঙ্গে ক্ষুদ্ধ রোহিণীকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “যাঁরা প্রমাণ ছাড়াই এই ধরনের অভিযোগ আনছেন, তাঁদের প্রকাশ্যে তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। ক্ষমা চাওয়া উচিত প্রত্যেক মা-বোন-কন্যার কাছেও। মহিলাদের বিরুদ্ধে এধরনের মানহানিকর বা মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো কাম্য নয়।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.