Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Baba Siddique

‘গ্যাংস্টার নই, লরেন্স বিষ্ণোইয়ের জন্যই সিদ্দিকিকে মেরেছি’, বলছেন ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিশান

'বহু মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে', দাবি পলাতক জিশানের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ০৯:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৫, ০৯:১১

options
link
‘গ্যাংস্টার নই, লরেন্স বিষ্ণোইয়ের জন্যই সিদ্দিকিকে মেরেছি’, বলছেন ‘মাস্টারমাইন্ড’ জিশান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবা সিদ্দিকির খুনের নেপথ্যে থাকা মাস্টারমাইন্ড হিসাবে অভিযুক্ত জিশান আখতার এখনও দেশের বাইরে। এবার তিনি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে পরিষ্কার জানালেন, সিদ্দিকি হত্যার নেপথ্যে তিনি রয়েছেন। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের জন্যই তিনি এই খুন করার পরিকল্পনা করেন বলেই তাঁর দাবি। সেই সঙ্গেই জিশান এও জানিয়েছেন, তিনি ভারতে ফিরবেন না। তাঁর বিরুদ্ধে অসংখ্য ভুয়ো মামলা রুজু করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পলাতক গ্যাংস্টার।

জিশানকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমরা কিন্তু বাবা সিদ্দিকিকে টাকার জন্য খুন করিনি। ভ্রাতৃত্বের কারণেই খুন করা হয়েছে। আমার ছেলেরা ওঁকে মেরেছে। আমি মোটেই ভারতে ফিরছি না। ফেরার কথা ভাবছিও না। আমি সামান্য অপরাধই করেছি। কিন্তু পুলিশ আমাকে গ্যাংস্টার বানিয়ে গিয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ১৬-১৭টি মামলা ঝুলছে। আমাকে ওখানে কেউ মেরেও ফেলতে পারত। পাকিস্তানের শাহজাদ ভাট্টির সাহায্যে আমি ভারত ছেড়ে পালিয়েছি। লরেন্সের লোককে হেফাজতে মেরে ফেলা হয়েছিল। খুন করা হয়েছিল তাকে। আর তাই আমরা বাবা সিদ্দিকিকে মেরেছি।” সেই সঙ্গেই জিশানের দাবি, ”কেবল মুম্বই পুলিশই নয়, দিল্লি, হরিয়ানা, পাঞ্জাব পুলিশও আমাকে খুঁজছে। আমি কেন আত্মসমর্পণ করব? আমাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। এবার আমি আরও অপরাধ করে যাব।”

Advertisement

২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর রাতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে দশেরা উৎসব পালনের সময় গলিতে ঝাঁজরা করে দেওয়া হয় মুম্বইয়ের প্রভাবশালী নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বাবা সিদ্দিকিকে। মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তিনি বেশ জনপ্রিয় নেতা ছিলেন। উৎসবের মরশুমে এহেন হত্যাকাণ্ড তোলপাড় ফেলে গোটা রাজ্যে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক না কি ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল, তা নিয়ে তখন ধোঁয়াশা দেখা দেয়। তদন্তে উঠে আসে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন কুখ্যাত অপরাধী জিশান আখতার ও লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। জানা গিয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোল বিষ্ণোইয়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জিশান। তিনি কানাডাতেই রয়েছেন বলে দাবি। কিন্তু সেখান থেকে তাঁকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা যায়নি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.