Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
RSS

আরএসএসের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া ‘অপরাধ’, দুই শিক্ষককে সাসপেন্ড করল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার

দিনকয়েক ধরেই কর্নাটকে আরএসএস নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে বিতর্ক চলছে। সে রাজ্যে আরএসএসকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ০৯:৫৯

options
link
আরএসএসের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া ‘অপরাধ’, দুই শিক্ষককে সাসপেন্ড করল কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সরাসরি নিষিদ্ধ করা সম্ভব নয়। তাই ঘুরপথে আরএসএসের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে মরিয়া কর্নাটকের কংগ্রেস সরকার। এবার সংঘের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার অপরাধে সাসপেন্ড হতে হল কর্নাটকের দুই শিক্ষককে। তাঁদের বিরুদ্ধে সার্ভিস রুল ভেঙে ‘রাজনৈতিক’ কার্যকলাপে যোগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও দুই শিক্ষকেরই দাবি, তাঁরা কোনও সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দেননি। ওটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল।

গুরুরাজ জোশী এবং আন্না সাহেব দেশমুখ। সাসপেন্ড হওয়া দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধেই আরএসএসের পথ সঞ্চালনা অর্থাৎ শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়ার অভিযোগ ছিল। সোশাল মিডিয়ায় সংঘসেবকের বেশে তাঁদের ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই ইয়াদগির জেলা প্রশাসনের তরফে সাসপেনশনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসন স্পষ্ট উল্লেখ করে দিয়েছে, “আপনার আরএসএসের অনুষ্ঠানে যোগদান কর্নাটকের সরকারি কর্মী সার্ভিস রুলের একাধিক ধারা লংঘন করে।”

Advertisement

দু’জনেরই দাবি ছিল, তাঁরা ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন রবিবারে। অর্থাৎ কাজের সময়ের বাইরে। ফলে ওই সময় তিনি কী করছেন, সেটা সরকারের দেখার কথা নয়। তাছাড়া ওই অনুষ্ঠানটি ছিল সাংস্কৃতিক, কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। কিন্তু সে যুক্তি মানতে চায়নি কংগ্রেস সরকারের প্রশাসন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে ওই জেলার দায়িত্বে সরকারের তরফে রয়েছেন প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরএসএসের প্রতি কতটা বিরাগভাজন, এতদিনে সেটা মোটামুটি সকলের জানা।

দিনকয়েক ধরেই কর্নাটকে আরএসএস নিষিদ্ধ হওয়া নিয়ে বিতর্ক চলছে। সে রাজ্যে আরএসএসকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্ক। সেই আর্জি পুরোপুরি না মানলেও ঘুরপথে সংঘের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিকে শিবকুমারের সরকার। সচরাচর আরএসএসের শাখা সরকারি স্কুল-কলেজে চলে। স্বয়ংসেবকদের শরীরচর্চা বা অন্য কর্মসূচির জন্যও সরকারি সম্পত্তি ব্যবহৃত হয়। সে সব বন্ধ করে দিতে মন্ত্রিসভায় ইতিমধ্যেই প্রস্তাব পাশ করেছে কংগ্রেস সরকার। কংগ্রেসের দাবি, সরকারি সম্পত্তিতে কোনওভাবেই রাজনৈতিক কার্যকলাপ চলতে পারে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.