Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Sikkim

বাঁশের ঝুড়ি কাঁধে শ্রমিকদের ভিড়ে, সিকিমের বাগানে চা পাতা তুললেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া

কেন্দ্রীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ও উন্নয়নমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সিকিমের চা বাগান ঘুরে দেখলেন। চা শ্রমিকদের সঙ্গে চা পাতা তুললেন। অনর্গল নেপালি ভাষায় কথাও বললেন। খোঁজ নিলেন তাদের সুবিধা-অসুবিধা।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ১৪:০৪

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মে ১৬, ২০২৬, ১৪:০৪

options
link
বাঁশের ঝুড়ি কাঁধে শ্রমিকদের ভিড়ে, সিকিমের বাগানে চা পাতা তুললেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া zoom
চা পাতা তুলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ছবি- সংগৃহীত
Advertisement

কেন্দ্রীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ও উন্নয়নমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সিকিমের চা বাগান ঘুরে দেখলেন। চা শ্রমিকদের সঙ্গে চা পাতা তুললেন। অনর্গল নেপালি ভাষায় কথাও বললেন। খোঁজ নিলেন তাদের সুবিধা-অসুবিধা। শুক্রবার সকালে এমনই বিরল ঘটনার সাক্ষী হয়ে রইলো সিকিমের বিখ্যাত টেমি চা বাগান।

দক্ষিণ সিকিমের রাবাংলা থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার এবং নামচি থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে প্রায় ৪৪০ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই টেমি চা বাগান। ১৯৬৯ সালে সিকিম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে তিব্বতি উদ্বাস্তুদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে চা বাগানটি গড়ে ওঠে। এখানে সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে ব্ল্যাক, গ্রিন এবং ওলং চা উৎপাদন হয়ে থাকে। বিশ্বের সেরা চা উৎপাদনকারী বাগানগুলোর একটি টেমি। সিকিম প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, টেমি চা বাগানের ফার্স্ট ফ্লাশ অর্গানিক চা চলতি মৌসুমে রেকর্ড ২৭ হাজার টাকা কেজি দামে বিক্রি হয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ও উন্নয়নমন্ত্রী ওই চা বাগান পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি সিকিমের বিশ্ববন্দিত চায়ের ঐতিহ্য সংরক্ষণে চা শ্রমিক ও কর্মীদের অসামান্য অবদানের প্রশংসা করেন।

Advertisement
Jyotiraditya Scindia picks tea leaves in Sikkim garden
চা বাগানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ছবি – সংগৃহীত

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজেও ঐতিহ্যবাহী বাঁশের ঝুড়ি কাঁধে তুলে শ্রমিকদের সঙ্গে চা পাতা তোলেন। চা শ্রমিকরা যেভাবে অসাধারণ গতিতে, নির্ভুল দক্ষতার সঙ্গে এই সূক্ষ্ম কাজটি করেন সেটা দেখে মন্ত্রী মুগ্ধ হন। কিছুক্ষণ চা পাতা তোলার পর বাঁশের ঝুড়ি কাঁধ থেকে নামিয়ে মন্ত্রী নেপালিতে বলেন, “আমি এতক্ষণে সামান্য চা পাতা তুলতে পেরেছি অথচ আপনারা কত তাড়াতাড়ি কত দেশি তুলছেন।” মন্ত্রীর কথা শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন শ্রমিকরা। মন্ত্রী স্বীকার করেন, এই কারুশিল্পের পিছনে বছরের পর বছর নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলা রয়েছে। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সিকিম সফরের শুক্রবার ছিল দ্বিতীয় দিন। তিনি শ্রমিকদের সঙ্গে অনর্গল নেপালি ভাষায় কথা বলেন। তাই মুহূর্তে স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে আন্তরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.