Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
CJI B R Gavai

‘কেবল শাসকের কাছে নয়, ন্যায়বিচার যেন জনতার দরবারে পৌঁছয়’, বার্তা প্রধান বিচারপতির

'অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা ছাড়া কেবল রাজনৈতিক সমতা অসম্পূর্ণ', মত প্রধান বিচারপতির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৫, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১০, ২০২৫, ১৭:২৬

options
link
‘কেবল শাসকের কাছে নয়, ন্যায়বিচার যেন জনতার দরবারে পৌঁছয়’, বার্তা প্রধান বিচারপতির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “শুধু শাসক ও ক্ষতাবানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকা নয়, ‘ন্যায়’ পৌঁছন উচিৎ জনতার দরবারে”, রবিবার গুয়াহাটি হাই কোর্টের ইটানগর বেঞ্চের নয়া ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই। তিনি বলেন, “বিচার বিভাগ, আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগ সকলের কাজ জনগণের সেবা করা।”

অরুণাচল প্রদেশের ইটানগরে হাই কোর্টের এই নয়া ভবনের উদ্বোধন মঞ্চে উপস্থিত হয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমি সর্বদা বিকেন্দ্রীকরণের সমর্থক। আমি মনে করি ন্যায় বিচার জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানো উচিত। আদালত, বিচার বিভাগ, আইনসভা – কোনও শাসক শ্রেণী বা কর্মকর্তাদের জন্য নয়, আমরা সকলেই এখানে জনগণের কাছে ন্যায়বিচার পৌঁছে দেওয়ার জন্য আছি।” পাশাপাশি ওই সভা থেকে অরুণাচল রাজ্যের প্রশংসা করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, “অরুণাচলের বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য প্রশংসনীয়। এখানে ২৬টি প্রধান উপজাতি এবং ১০০টিরও বেশি উপ-উপজাতি রয়েছে। এখানকার সরকার সকলের সংস্কৃতি সংরক্ষণের জন্য কাজ করছে।” এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, “দেশের অগ্রগতি একান্ত কাম্য, তবে তা কখনই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের মূল্যে নয়।”

Advertisement

এই মঞ্চ থেকে নিজের মণিপুরের ত্রাণ শিবির সফরের কথাও উল্লেখ করেন প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই। তিনি বলেন, সেখানে যাওয়ার পর একজন মহিলা আমায় বলেছিলেন, ‘আপনার নিজের বাড়িতে আপনাকে স্বাগত।’ সেই রেশ ধরে জানান, “এটাই আমার দেশ। এই ভারত আমাদের সকলের বাড়ি।” আম্বেদকরের মন্তব্য তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি জানান, “প্রত্যেক ধর্মের নিজস্ব ধর্মগ্রন্থ আছে, কিন্তু প্রতিটি ভারতীয়ের জন্য, সংবিধানই সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মগ্রন্থ। আমাদের প্রথম আনুগত্য হওয়া উচিত সংবিধানের প্রতি।” পাশাপাশি তাঁর মত, “অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা ছাড়া কেবল রাজনৈতিক সমতা অসম্পূর্ণ।”

প্রধান বিচারপতির পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক ও সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি বলেন, “বিচার কাঠামো, বিশেষ করে নিম্ন আদালতে বিচার বিভাগকে আরও শক্তিশালী করা উচিত যাতে ন্যায়বিচার সহজলভ্য, দ্রুত এবং জনবান্ধব হয়। বিচারক এবং মামলাকারীদের জন্য ভালো সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন।” তাঁর কথায়, “আমাদের উচিৎ সাধারণ মানুষের জন্য ন্যায়বিচার পাওয়ার রাস্তা আরও সহজ করা এবং মানুষ এবং ন্যায়বিচারের মধ্যে দূরত্ব কমানো। আদালতের বাইরেও ন্যায়বিচার প্রদান করা উচিত।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.