Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
JP Nadda

আহত ‘আরশোলা’দের দেখতে হাসপাতালে নাড্ডা! উপস্থিত কেজরিও

Delhi CJP Protest: সোমবার ‘আরশোলা’দের অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৪:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৬, ১৪:৩৯

options
link
আহত ‘আরশোলা’দের দেখতে হাসপাতালে নাড্ডা! উপস্থিত কেজরিও zoom
সোমবারই নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন 'ককরোচ'দের দুই প্রতিনিধি।
Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র মিছিলে (Delhi CJP Protest) পুলিশের মারে অসুস্থ হয়ে পড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ‘আরশোলা’দের দেখতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। সেখানে সিনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতির খোঁজ নিতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এদিকে এদিন সকালেই আহতদের দেখতে আরএমএল হাসপাতালে আসেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

এদিন হাসপাতালে কেজরির সঙ্গে ছিলেন তাঁর দুই দলীয় সতীর্থ সৌরভ ভরদ্বাজ ও আতিশী।  নাড্ডার পরে হাসপাতালে অসুস্থদের দেখতে আসেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও।

Advertisement

এদিকে এদিন সিজেপির মিছিলে সংঘর্ষ প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে তীব্র আক্রমণ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। তিনি বলেন, “কাঁদুনে গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী হাসপাতালে ভর্তি। সেখানে অবিচার ও দমন-পীড়ন চলছে। আমরা দাবি জানিয়েছিলাম যে সরকার যেন এই বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ করে। আমরা জানতে চেয়েছিলাম শিক্ষার্থীদের আসলে কোথায় থাকা উচিত। আমরা জানতে চেয়েছিলাম নাড্ডার সঙ্গে কী আলোচনা হয়েছে। আপনাদের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে? এ বিষয়ে বিবৃতি দিন। দলের ফ্লোর লিডারকে তাঁর মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া উচিত। আমরা বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আমাদের কণ্ঠ রোধ করা হয়েছে। গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা চলছে। কেন লাঠিচার্জ করা হল? ওখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।”

উল্লেখ্য, নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা-সহ একাধিক দাবিতে সোমবার সংসদ অভিযান করেন ‘ককরোচ’রা। দিল্লি পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সকালে সংসদ অভিযান শুরু হয়। ‘আরশোলা’দের এই অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় রাজধানী। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। প্রায় ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামিয়ে কার্যত ঘিরে ফেলা হয় যন্তর মন্তর চত্ত্বর। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। আটক করা হয় ‘ককরোচ’দের শীর্ষ নেতৃত্বকেও।

পাশাপাশি ‘ককরোচ’দের আন্দোলনকে ‘সাজানো’, ‘ভিত্তিহীন’ বলে তোপ দেগেছেন বিজেপি সাংসদ কে সুধাকর। সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, ”ওরা গণতন্ত্রকে বিকৃত করার চেষ্টা করছে, যা কখনওই সম্ভব হবে না। নেপাল, শ্রীলঙ্কা বা বাংলাদেশে যা ঘটেছে, বিরোধী দল হয়তো ভারতেও তেমন কিছু করার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু ভারতে এমনটা কখনওই ঘটবে না। আমি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করছি না, তবে সেখানে বহিরাগতরাও ছিল। কারা ওদের মদত দিয়েছে? উদ্দেশ্য কী ছিল? যোগসূত্রই বা কী ছিল? সেখানে সমাজবিরোধী উপাদানও উপস্থিত ছিল। তারা কীভাবে সেখানে পৌঁছাল? এসবের পেছনে কারা আছে? সবকিছুই প্রকাশ্যে আসবে। পুরো দেশ সত্যটা জানতে পারবে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.