সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লালকেল্লা বিস্ফোরণ কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত চিকিৎসক মুজাফফর রাঠার পলাতক। সে সম্ভবত আশ্রয় নিয়েছে আফগানিস্তানে। এবার তার বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস পেতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। মুজাফফর আরেক অভিযুক্ত ড. আদিল আহমেদ রাঠারের ভাই।
জানা গিয়েছে, মুজাফফর দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগান্দের বাসিন্দা ছিল। তদন্তকারীদের স্ক্যানারে থাকা ফরিদাবাদের আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও যুক্ত ছিল সে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করার পরই তার নাম পুলিশের নজরে আসে। তদন্তে এও উঠে এসেছে যে, ২০২১ সালে উমর নবি, দাদা মুজাম্মিলের সঙ্গে মুজাফফরও তুরস্কে গিয়েছিল ‘প্রশিক্ষণ’ নিতে। এও জানা যাচ্ছে, গত আগস্ট থেকেই দেশছাড়া মুজাফফর। সম্ভবত সে আফগানিস্তানে রয়েছে।
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তদন্তকারীদের একজন জানিয়েছেন, ”এই মুহূর্তে তদন্তের ভার রয়েছে এসআইএ-র হাতে। তাই জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ সরাসরি ইন্টারপোলের রেড কর্নার নোটিস চাইতে পারে না। তাই একটা প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এবার এক কেন্দ্রীয় সংস্থার পক্ষে রেড কর্নার নোটিস জারি করা সম্ভব। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখছে।”
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে দিল্লি লালকেল্লা চত্বর। ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পরেই দেশজুড়ে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। শুরু হয়েছ ধরপাকড়। তদন্তে নেমে শ্রীনগর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে নেমে শুক্রবার বাংলা থেকে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ। বিস্ফোরণ-কাণ্ডে নাম জড়ানো চার চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছে জাতীয় মেডিক্যাল কমিশন। লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হল আদিল আহমেদ রাঠের, মুজাফফর আহমেদ, মুজ়াম্মিল শাকিল এবং শাহিন সইদের। ফলে এখন থেকে দেশের আর কোথাও প্যাকটিস করতে পারবেন না তাঁরা।
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক