Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
Madhya Pradesh

জেলে থাকাকালীন প্রেম, ১৪ বছর সাজা কাটিয়ে জেলকর্মীকে বিয়ে আসামির!

ছতরপুর জেল কর্মী চন্দলার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র সিং ২০০৭ সালে পুরসভার তৎকালীন ভাইস-চেয়ারম্যান কৃষ্ণ দত্ত দীক্ষিত হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হয় তার। সাতনা সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ছিল সে। সেই সময় সেখানে সহকারী জেল সুপার হিসাবে যোগ দেন ফিরোজা খাতুন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৩:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২৬, ১৩:৩৪

options
link
জেলে থাকাকালীন প্রেম, ১৪ বছর সাজা কাটিয়ে জেলকর্মীকে বিয়ে আসামির! zoom
(বাঁ দিকে) ধর্মেন্দ্র সিং এবং ফিরোজা খাতুন (ডান দিকে)। ছবি: এক্স।

বেনজির ঘটনার সাক্ষী থাকল মধ্যপ্রদেশের সাতনা। কারাগারের এক প্রাক্তন কয়েদি, খুনের আসামি তথা যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তকে ভালবেসে বিয়ে করলেন জেল কর্মী। সাতনা সেন্ট্রাল জেল কর্মীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার, ফিরোজা খাতুনের সঙ্গে সম্প্রতি চার হাত এক হল ধর্মেন্দ্র সিংয়ের। আর সেই বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) জেলা ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে বজরং দলের নেতা-নেত্রী, কর্মী-সমর্থকরাও।

ছতরপুর জেল কর্মী চন্দলার বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র সিং ২০০৭ সালে পুরসভার তৎকালীন ভাইস-চেয়ারম্যান কৃষ্ণ দত্ত দীক্ষিত হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হয় তার। সাতনা সেন্ট্রাল জেলে বন্দি ছিল সে। সেই সময় সেখানে সহকারী জেল সুপার হিসাবে যোগ দেন ফিরোজা খাতুন। ‘ওয়ারেন্ট ইন-চার্জ’-এর দায়িত্ব দেওয়া হয় তাঁকে। জেলসূত্রে খবর, ধর্মেন্দ্র প্রায়ই ওয়ারেন্ট সংক্রান্ত নানা ধরনের কাজে কারা কর্মীদের সাহায্য করত। এরই ফলে ফিরোজার সঙ্গে তার নিয়মিত দেখা-কথা হত। সেই পরিচয় ক্রমে বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে ভালোবাসায় পরিণত হয়। দু’জনে বিয়ে করবেন, ঠিক করেন। ১৪ বছর যাবজ্জীবনের সাজা কাটিয়ে ধর্মেন্দ্র মুক্তি পায়। চার বছর আগে তাকে জেল থেকে ছাড়া হয়। এর পর গত ৫ মে, ছতরপুরেই দু’জনে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে বিয়েতে ফিরোজার পরিবারের মত ছিল না। তাই তাঁর পরিবারের তরফে কেউ উপস্থিত ছিলেন না অনুষ্ঠানে। এই অবস্থায় ‘কন্যাদান’ করেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের জেলা ভাইস প্রেসিডেন্ড রাজবাহাদুর মিশ্র এবং তাঁর স্ত্রী। তাঁরা এবং অনুষ্ঠানে আগত বজরং দলের কর্মী-সমর্থকরা নবদম্পতিকে আশীর্বাদ করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.