Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ISRO

আমাদের ভবিষ্যৎ কী? বেসরকারিকরণের ছোঁয়া লাগতেই আশঙ্কায় ইসরোর বিজ্ঞানীরা, কড়া চিঠি ডিরেক্টরকে

শুধু ইসরোয় সীমাবদ্ধ না থেকে ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্র বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য খুলে দিয়েছে ভারত সরকার। যার জেরে ইতিমধ্যেই শখানেক বিজ্ঞানী ইসরো ছেড়েছেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১১:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬, ১১:৪০

options
link
আমাদের ভবিষ্যৎ কী? বেসরকারিকরণের ছোঁয়া লাগতেই আশঙ্কায় ইসরোর বিজ্ঞানীরা, কড়া চিঠি ডিরেক্টরকে zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

শুধু ইসরোয় সীমাবদ্ধ না থেকে ভারতের মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্র বেসরকারি সংস্থাগুলির জন্য খুলে দিয়েছে ভারত সরকার। ২০২০ সাল থেকে লাগাতার মহাকাশ গবেষণায় উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই বেসরকারি উদ্যোগে মহাকাশে রকেট পাঠানোও শুরু হয়েছে। আর তাতেই উদ্বিগ্ন ইসরো-তে কর্মরত বিজ্ঞানীরা। সংস্থার ভবিষ্যৎ কোন পথে, বেসরকারিকরণ ঠিক কতদূর হবে, স্পষ্ট জানতে চেয়ে ডিরেক্টর ভি নায়ারণনকে কড়া চিঠি দিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার বিজ্ঞানী ও কর্মী। তাঁদের দাবি, সরকার ইসরো নিয়ে ঠিক কী পরিকল্পনা করছে, সেটা স্পষ্ট করতে হবে।

বিগত বেশ কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে উজ্জ্বল ও ব্যতিক্রমী ভূমিকা নিয়েছে ‘ইসরো’। চন্দ্রযান, মঙ্গলযান অভিযানে সাফল্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মর্যাদা বাড়িয়েছে। কিন্তু সাফল্যের মাঝেও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। সম্প্রতি ১০০-রও বেশি বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়র ‘ইসরো’ ছেড়েছেন। যার মূল কারণ বেসরকারিকরণ। ইতিমধ্যেই একাধিক বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে কাজ শুরু করেছে ইসরো।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই মুহূর্তে ভারত সরকারের নীতি হল, রকেটের ডিজাইন করা, রকেট তৈরি করা, স্পেস সিস্টেমের অপারেশন সবটা করবে বেসরকারি সংস্থাগুলি। আর ইসরোর কাজ হবে মূলত আরও বেশি গবেষণায় জোর দেওয়া, আরও উন্নত প্রযুক্তির উদ্ভাবনের চেষ্টা করা। ইসরোর অপারেশনাল কাজকর্ম আগামী দিনে ধীরে ধীরে পুরোটাই বেসরকারি হাতে যেতে পারে। একাধিক বেসরকারি সংস্থা তাতে আগ্রহও দেখিয়েছে। সেটাই উদ্বেগ ইসরোর কর্মীদের। ডিরেক্টর নারায়ণনকে একযোগে চিঠি লিখেছেন VSSC, SDSC, URSC, LPSC, SAC, NRSC এবং IPRC-র মতো কেন্দ্রের কর্মীরা। ইসরোর মোট ১৮ হাজার কর্মীর মধ্যে প্রায় ৫ হাজার কর্মী ওই চিঠিতে সই করেছেন।

তাঁদের বক্তব্য, বেসরকারিকরণে আমাদের আপত্তি নেই। যদি চুক্তিগ্রাহ্যভাবে বেসরকারিকরণ হয়, তাতে সমস্যা নেই। কিন্তু আগামী দিনে ইসরো নিজেদের রকেট যদি নিজেরা না বানায় তাহলে ইঞ্জিনিয়ার এবং অন্যান্য কর্মীদের ভবিষ্যৎ কী হবে সেটা উদ্বেগের জায়গা। কর্মীদের ধারণা, আগামী দিনে ইসরো আর নিজেরা রকেট বানাবে না। সম্প্রতি SSLV রকেট তৈরির প্রযুক্তি HAL-কে সরবরাহ করেছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। PSLV তৈরির প্রযুক্তি স্থানান্তর নিয়েও কথা চলছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত ইসরোর কর্মী এবং ইঞ্জিনিয়াররা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.