Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
IPAC Case in SC

সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি, ইডির এক্তিয়ার নিয়ে সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী সিব্বলের

এদিন মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মূলত চলছে সওয়াল-জবাব।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৮:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০২৬, ১৮:৩৪

options
link
সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি, ইডির এক্তিয়ার নিয়ে সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী সিব্বলের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সুপ্রিম কোর্টে হল ‘হেভিওয়েট’ আইপ্যাক মামলার শুনানি (IPAC Case in SC)। এদিন মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে মূলত চলে সওয়াল-জবাব। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী কপিল সিব্বল ইডির এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেন। তাঁর যুক্তি, ”ইডি যদি আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের অধীনে তদন্ত চালানোর সময় অন্য কোনও অপরাধের বিষয় জানতে পারে, তাহলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানাতে পারে।” এক্ষেত্রে রাজ্য সরকারকে আইনের অনুচ্ছেদ ৬৬ অনুযায়ী জানানোর যুক্তি তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। পাশাপাশি তাঁর সওয়াল, সরকারি কোনও কর্মী দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়ে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তি অনুচ্ছেদ ৩২ এর অধীনে মামলা করতে পারেন না। আইনশৃঙ্খলা যে রাজ্যের অধিকার, তাও এদিন আদালতকে জানান সিব্বল। দীর্ঘ সওয়াল-জবাব শেষে এদিনের মতো শেষ হয়েছে শুনানি। আগামী এপ্রিলে ফের এই মামলার হবে। 

বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন ভি অঞ্জারিয়ার বেঞ্চে এদিন আইপ্যাক মামলার শুনানি হয়। মামলার শুনানিতে সিব্বল আরও বলেন, সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২-এর অধীনে যে ব্যক্তি আদালতে আসেন, তাঁর কীভাবে মৌলিক অধিকার খর্ব হয়েছে তা জানাতে হবে। এমনকী অন্যান্য আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে থাকলেও ইডির ডেপুটি ডিরেক্টর ছিলেন না বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর। এরপরেও কীভাবে মৌলিক অধিকার নিয়ে আদালতে মামলা তা নিয়েও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের এজলাসে প্রশ্ন তোলেন কপিল সিব্বল। এই বিষয়ে আরও বেশ কিছু যুক্তিও এদিন তুলে ধরেন তিনি।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে ইডিকে পিটিশনার করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সিব্বলের সওয়াল, ইডি সরকারের একটি মন্ত্রকের অধীনে পড়ে। ইডি একটি ডিরেক্টরেট। ফলে সরকার অনুচ্ছেদ ৩২-এর অধীনে সরাসরি মামলা করতে পারে না। তারা কেবল অনুচ্ছেদ ১৩১-এর অধীনে মামলা করতে পারে বলে আদালতে জানান আইনজীবী। এছাড়াও এদিন একাধিক বিষয় উঠে আসে সওয়াল-জবাবে।

ঘটনার সূত্রপাত গত ৮ জানুয়ারি। ওইদিন রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু ফাইল নিয়ে আসেন। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওইসব তাঁর দলের নথিপত্র। তাতে নির্বাচনী রণকৌশলের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র রয়েছে। সেসব ছিনতাইয়ের ষড়যন্ত্র করেছে ইডি, এই অভিযোগ তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলের স্বার্থে তিনি সেসব ফাইল সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। আর তাঁর এই পদক্ষেপেই ইডির সঙ্গে সংঘাত তৈরি হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়। আজ, মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.