Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Supreme Court

রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে কমিশনকে, বাংলার ভোটের মুখে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির

শুধু কমিশনই নয়, অন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোরও নিরপেক্ষতার সঙ্গে চলা উচিত বলে মনে করেন বিচারপতি নাগরত্ন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১৮:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১৮:০৯

options
link
রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে কমিশনকে, বাংলার ভোটের মুখে মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির zoom
বিচারপতি বিভি নাগরত্ন। ফাইল ছবি।

নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে, রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার দ্বারা প্রভাবিত হলে চলবে না বলে স্পষ্ট অভিমত জানালেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বিচারপতি বি ভি নাগরত্ন। পশ্চিমবঙ্গ-সহ কয়েকটি রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা ভোট উপলক্ষে এসআইআর নিয়ে বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির কমিশনের ভূমিকা ক্ষোভ জানানোর প্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের বিচারপতির পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বিরোধী দলগুলির দাবি, কমিশন বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে। শুধু কমিশনই নয়, অন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোরও নিরপেক্ষতার সঙ্গে চলা উচিত বলে মনে করেন বিচারপতি নাগরত্ন। এটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বলেছেন তিনি। সিনিয়রিটির মাপকাঠিতে ২০২৭-এর সেপ্টেম্বর তাঁর প্রধান বিচারপতির চেয়ারে বসার কথা। পাটনার চাণক্য জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সেমিনারে এই বক্তব্য জানিয়েছেন তিনি।
খাতায় কলমে অধিকারের অস্তিত্ব অক্ষত রেখেও শাসন কাঠামোর ধীরে ধীরে অবলুপ্তির মাধ্যমে সাংবিধানিক অচলাবস্থা ঘটানো সম্ভব বলে জানান বিচারপতি নাগরত্ব। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলি যখন পরস্পরকে নজরে রাখা বন্ধ করে দেয়, তখনই কাঠামো ভেঙে পড়ে। তখনও ভোট হয়তো অনুষ্ঠিত হয়, আদালতগুলিও চলে, সংসদেও আইন তৈরি হয়, তবুও ক্ষমতাকে সংযমের বাঁধনে আটক রাখা যায় না, কেননা কাঠামোগত শৃঙ্খলারই আর অস্তিত্ব থাকে না।

Advertisement

বার অ্যান্ড বেঞ্চ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, দেশের গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটের আয়োজন করা শুধুমাত্র রুটিন কাজ নয়, একটি মেকানিজম যার মাধ্যমে রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রতিষ্ঠা হয়। আমাদের সাংবিধানিক গণতন্ত্র পরিষ্কার দেখিয়েছে, সময়মতো নির্বাচন করানোর মাধ্যমে মসৃণভাবে সরকারের বদল সম্ভব। সেই প্রক্রিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ আসলে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার পরিবেশের উপর নিয়ন্ত্রণ। তিনি এও বলেন, সংসদ বা পরিষদ আসন্ন আইন নিয়ে আলোচনা করবে না, শুধু সেই আইনে সম্মতির সিলমোহর বসাবে, বা শাসক-সরকার আইনের পরিধির ভিতরে থেকে না তার বাইরে গিয়ে শাসন করবে, তার উপরই সংবিধানের স্বাস্থ্য নির্ভর করে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.